Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

জ্বালানি সন্ধিক্ষণ: সবুজ শক্তি নাকি গ্যাসের মায়া?

বিগত দুই দশকে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে রূপদানকারী মহাপরিকল্পনা, নীতি সংশোধন, মন্ত্রীদের প্রতিশ্রুতি এবং পরামর্শক প্রতিবেদনের সঞ্চয়নের মধ্যে কোথাও একটি নীরব কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া...
Homeকিশোরগঞ্জে রোদ উঠলেও বেড়েছে নদ-নদীর পানি

কিশোরগঞ্জে রোদ উঠলেও বেড়েছে নদ-নদীর পানি

টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে কিশোরগঞ্জের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার অধিকাংশ পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেলেও একটি পয়েন্টে সামান্য হ্রাস পেয়েছে। তবে সকাল থেকে রোদের দেখা মিলেছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ৯টায় কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে তথ্য অনুযায়ী, জেলার ইটনা পয়েন্টে ধনু-বৌলাই নদীর পানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৩০ মিটার, যা আগের দিনের তুলনায় ৪ সেন্টিমিটার বেশি। চামড়াঘাটে মেঘনা নদীর পানি রয়েছে ২.৯৬ মিটার, বৃদ্ধি পেয়েছে ১ সেন্টিমিটার। অষ্টগ্রামে কালনী নদীর পানি ২.৬২ মিটার, যা ৪ সেন্টিমিটার বেড়েছে। অন্যদিকে ভৈরব বাজার পয়েন্টে মেঘনা নদীর পানি সামান্য কমে ১.৭১ মিটারে নেমেছে, যা গতকালের তুলনায় ১ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, সবকটি নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৮৫ থেকে ৪০৯ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।

তবে বৃষ্টিপাত ও উজানের পানির চাপ অব্যাহত থাকলে নদ-নদীর পানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে হাওরাঞ্চলের বোরো ধান আরও তলিয়ে যাবে। জেলার নিকলী আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জে রোদ উঠলেও বেড়েছে নদ-নদীর পানি

স্থানীয় কৃষকরা জানান, এরই মধ্যে হাওরাঞ্চলের হাজার হাজার হেক্টর জমির পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তারা।

কিশোরগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও কৃষকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এর আগেই দ্রুত ধান কেটে ঘরে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান, শনিবার বিকেল পর্যন্ত মাঠপর্যায়ের তথ্যমতে সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে ৪৯ হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করছে আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

এসকে রাসেল/এফএ/জেআইএম