জামালপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ঘিরে ‘নকশীকাঁথা কার্ড’ ও ‘মিল্লি কার্ড’ নামের কিছু প্রচারণামূলক পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। কার্ডে লেখা—‘এনসিপিতে যোগ দিন, নকশীকাঁথার কার্ড ও মিল্লি কার্ড নিন’। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে।
বুধবার (৬ মে) জামালপুর জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক আমিনুল ইহসান এবং সংগঠক রেদোয়ান খন্দকার মাহিন তাদের ফেসবুক আইডি থেকে এ-সংক্রান্ত পোস্ট ও ছবি শেয়ার করেন।
পোস্টে আমিনুল ইহসান লেখেন, “জামালপুর এনসিপি কার্ড নিয়ে হাজির। এত এত কার্ডের মধ্যে আমরা আপনাদের প্রোভাইড করছি ‘মিল্লি কার্ড’! কার্ড সীমিত!”

পোস্টের সঙ্গে তিনি কমেন্ট বক্সে গুগল ফর্মের একটি লিংকও যুক্ত করেন। সেখানে জামালপুর জেলার নাগরিকদের এনসিপির সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
রেদোয়ান খন্দকার মাহিন তার পোস্টে লেখেন, “জামালপুর এনসিপি কার্ড নিয়ে হাজির। এত এত কার্ডের মধ্যে আমরা আপনাদের প্রোভাইড করছি ‘নকশীকাঁথা কার্ড’! কার্ড সীমিত!”

পোস্টের সঙ্গে তিনিও কমেন্ট বক্সে গুগল ফর্মের একটি লিংক যুক্ত করেন, যেখানে জামালপুর জেলার নাগরিকদের এনসিপির সদস্য হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
এরপরই বিষয়গুলো দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ এগুলোকে সৃজনশীল ও ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারণা হিসেবে দেখছেন। আবার কেউ এগুলোকে বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত উদ্যোগ বলেও মন্তব্য করছেন।

এ বিষয়ে জামালপুর জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আমিনুল ইহসান বলেন, ‘আমাদের জামালপুরের সবচেয়ে প্রিয় এবং বিখ্যাত খাবার মিল্লি ভাত। তাই ভেবে দেখলাম রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন কার্ড দিচ্ছে, তাহলে আমরা জামালপুরের মিল্লিপ্রেমীদের জন্য একটা মিল্লি কার্ডের ব্যবস্থা করি।’
জামালপুর জাতীয় ছাত্রশক্তির সংগঠক রেদোয়ান খন্দকার মাহিন বলেন, “চাঁপাইনবাবগঞ্জের একজন মেয়র প্রার্থী ঘোষণা দেন তিনি নির্বাচিত হলে ‘আম কার্ড’ দেবেন। সেখান থেকেই এই ধারণা। জামালপুরে তো নকশীকাঁথা অনেক জনপ্রিয়। সেটা দেখেই এইরকম পোস্ট করা।”
এসআর/জেআইএম

