Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর জাবিতে পুনরায় বসেছে শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড

২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রায় দুই বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) পুনরায় শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড বসিয়ে প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (৭ মে)...
Homeমিরপুরে রাওয়ালপিন্ডির সুখস্মৃতি ফেরানোর লড়াই বাংলাদেশের

মিরপুরে রাওয়ালপিন্ডির সুখস্মৃতি ফেরানোর লড়াই বাংলাদেশের

পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট মানেই দুই বছর আগে রাওয়ালপিন্ডিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি। কখনোই টেস্টে বাংলাদেশের কাছে পরাজিত না হওয়া পাকিস্তান দল সত্যিই ধবলধোলাই হলো নিজেদের ঘরের মাঠেই। সেই সিরিজের আগে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের টেস্ট জয়ের সংখ্যা ছিল ৬টি। সেই সিরিজকে দুই দলের টেস্ট সম্পর্কের নতুন অধ্যায় হিসেবেই দেখা হয়।

এবারের সিরিজটি অদ্ভুত এক সময়ে আয়োজিত হচ্ছে বলা যায়। গেল ছয় মাসে সাদা জার্সিতে মাঠে নামেনি দুই দলের কেউই।বাংলাদেশের সবশেষ টেস্ট সিরিজ ছিল আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে, যেখানে তারা সহজ জয় পেয়েছিল। অন্যদিকে পাকিস্তান সবশেষ টেস্ট খেলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, যে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়। গত ১৪ মাসে এটিই পাকিস্তানের একমাত্র লাল বলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট।

এই সময়টায় পাকিস্তান পুরোপুরি মনোযোগী ছিল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে। ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির পাশাপাশি দেশটির ক্রিকেটাররা ব্যস্ত ছিল পাকিস্তান সুপার (পিএসএল) লিগের মৌসুম নিয়ে। পিএসএল শেষ হওয়ার মাত্র চার দিন পরই মিরপুরে শুরু হচ্ছে প্রথম টেস্ট।

বাংলাদেশও ছিল না খুব একটা খেলার মধ্যে। নিরাপত্তার কারণে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ। এরপর তারা পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজ। তবে ইতিবাচক দিক হলো, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত খেলা সব আন্তর্জাতিক সিরিজেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

২০২৪ সালের ঐতিহাসিক সিরিজে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর ছিল। হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদের সুইং এবং নাহিদ রানার গতি পাকিস্তানি ব্যাটারদের ভোগায়। বিশেষ করে নাহিদ রানা এখন আরও দুর্দান্ত ছন্দে আছেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের পর সম্প্রতি পিএসএল ফাইনালেও নজর কাড়েন তিনি। বিসিবির বিশেষ অনুমতি নিয়ে সেই ম্যাচ খেলেছিলেন এই পেসার।

বাংলাদেশের চার পেসারের সম্ভাব্য আক্রমণে নাহিদ ও তাসকিনের সঙ্গে থাকতে পারেন শরিফুল ইসলাম ও এবাদত হোসেন। ফলে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হতে পারে।

তবে পাকিস্তান চাইবে মিরপুরের উইকেট যেন স্পিন সহায়ক হয়। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের কাছে হারের পর থেকেই নিজেদের কৌশলে পরিবর্তন আনে তারা। প্রথম টেস্টে পুরোপুরি পেসনির্ভর আক্রমণ নিয়ে নামলেও পরে স্পিনবান্ধব উইকেট তৈরি করতে শুরু করে পাকিস্তান। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুর্দান্ত সাফল্য পেয়েছেন সাজিদ খান ও নোমান আলী।

মিরপুরের উইকেট স্পিনারদের সহায়তা করলে পাকিস্তান বিশ্বাস করবে, তারা স্বাগতিকদের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করতে পারবে।

এখন পর্যন্ত দুই দল ১৫ টেস্টে মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে পাকিস্তান জিতেছে ১২টিতেই, একটি টেস্ট ড্র হয়েছে। বাংলাদেশের জয় দুই টেস্টে।

আইএন