Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

সমকালীন সাহিত্য-ডিসকোর্সে ‘নাগরিক চোখ’

আবদুল্লাহ মজুমদার ‘নাগরিক চোখ’ সমকালীন বাংলা সাময়িকী-সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে কেবল একটি প্রকাশনা নয়; বরং এটি সময়, সমাজ ও সভ্যতার অন্তঃপ্রবাহকে পাঠের ভিন্নতর পরিসরে পুনর্গঠনের সচেতন সাহিত্য-প্রয়াস।...
Homeসুনামগঞ্জে কাজবিহীন কামাররা

সুনামগঞ্জে কাজবিহীন কামাররা

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পশ্চিম বাজারে প্রতিনিয়ত শোনা যেত কামারের টুংটাং শব্দ। বিশেষ করে কোরবানির ঈদের আগে এ শব্দ দ্বিগুণ বেড়ে যেত। তবে অতীতে লোহা পেটানোর সেই টুং টাং শব্দ এখন কেবল একটি গল্প। শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এ কামার শিল্প এখন বিলুপ্ত পথে।

সরেজমিনে কামারপাড়ার ব্যস্ততা খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, আগে শহরের পশ্চিমবাজারে ৬-৭ দোকান থাকলেও এখন সেখানে ২-৩টি রয়েছে। তবে সেগুলোতেও নেই কোরবানির ঈদ কেন্দ্রিক কোনো ব্যস্ততা। দোকানে পাওয়া যায়নি ছুরি, চাপতি জাতীয় কিছু। রয়েছে শুধু কয়েকটি দা, কাঁচি আর কুঁড়াল। পাশাপাশি করাতকলের পুরাতন করাতের দাঁত কেটে দিচ্ছেন কামারি। মূলত কয়লার দাম বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তির সরঞ্জামের কদর বাড়ায় হারিয়ে যাচ্ছে পেশাটি।

পশ্চিম বাজার এলাকার বাসিন্দা শাহিন মিয়া বলেন, ছোট থেকে দেখে এসেছি কুরবানি আসলে এখানে কামারদের অনেক ব্যস্ততা বাড়তো। এখন আগের মত দোকানও নেই এবং ব্যবস্তাও নেই।

পশ্চিম বাজার এলাকার বাসিন্দা হাসিম মিয়া বলেন, আগে কামারের দোকানের টুং টাং শব্দে ঘুম ভাঙত। এখন সেই দিন নেই। কামাররা কেউ এখন আর এ পেশায় জড়িত নয়। শহরে মাত্র কয়েকটি দোকান আছেও সেখানেও নেই তেমন ব্যস্ততা।

কর্মকার জগদীশ দাস বলেন, অতিতের সোনালী দিনগুলো এখন নেই। আগে কুরবানীরর সময় রাত দিন সমান তালে কাজ করেও শেষ হত না। কিন্তু এখন ঈদ আসছে অথচ একটা কাজও হাতে নেই। কর্মহীন হয়ে পড়েছি।

তিনি আরও বলেন, মানুষ সবকিছু এখন বাইরে থেকে নিয়ে আসে। বিভিন্ন দোকানেও পাওয়া যায় তাই নতুন বানায় না। ফলে যুগের সঙ্গে এ পেশাটি এখন বিলপ্তির পথে।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) সুনামগঞ্জের ব্যবস্থাপক এমএনএম আসিফ জানান, সুনামগঞ্জে কামারের সংখ্যা বা প্রতিষ্ঠান কতটা আছে তার তথ্য নেই। তবে এ শিল্প সুনামগঞ্জে এখন নেই বললেই চলে।

লিপসন আহমেদ/এএইচ/এএসএম