Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

টেকসই উন্নয়ন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে সিলেটের বৃষ্টি

জার্মানির মিউনিখে আন্তর্জাতিক টেকসই উন্নয়নভিত্তিক প্রতিযোগিতা ‘গ্লোবাল সাসটেইনেবিলিটি চ্যালেঞ্জ’-এর চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিয়ে সাফল্যের নজির গড়েছেন মালয়েশিয়ার সানওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক এবং সিলেটের কৃতি...
Homeস্মার্টফোন দামি হলেই কি ভালো?

স্মার্টফোন দামি হলেই কি ভালো?

নতুন স্মার্টফোন কেনার সময় অনেকেরই প্রথম ধারণা থাকে যত দাম বেশি, ফোন তত ভালো। বাজারে এখন এমন অনেক ফোন আছে, যেগুলোর দাম এক লাখ টাকারও বেশি। অন্যদিকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যেও পাওয়া যাচ্ছে অসাধারণ ফিচারের স্মার্টফোন। তাই প্রশ্ন উঠতেই পারে, সত্যিই কি দামি ফোন মানেই সেরা ফোন?

আসলে বিষয়টা পুরোপুরি নির্ভর করে ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের উপর। সব মানুষের জন্য দামি ফোন দরকার হয় না। বরং অনেক ক্ষেত্রেই মাঝারি বাজেটের ফোন একজন সাধারণ ব্যবহারকারীর সব চাহিদা পূরণ করতে পারে।

দামি স্মার্টফোনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর পারফরম্যান্স ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহার। ফ্ল্যাগশিপ ফোনগুলোতে সাধারণত শক্তিশালী প্রসেসর, উন্নত ক্যামেরা, ভালো ডিসপ্লে এবং প্রিমিয়াম বিল্ড কোয়ালিটি থাকে। যারা মোবাইলে ভারী গেম খেলেন, ভিডিও এডিটিং করেন বা নিয়মিত পেশাদার মানের ছবি ও ভিডিও তোলেন, তাদের জন্য এই ধরনের ফোন সত্যিই উপকারী। এছাড়া অনেক দামি ফোনে ৫ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত সফটওয়্যার আপডেটও পাওয়া যায়।

তবে বাস্তবতা হলো, অধিকাংশ মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ইউটিউব দেখা, ছবি তোলা, অনলাইন ক্লাস বা সাধারণ কাজের জন্য। এই কাজগুলোর জন্য বর্তমানে মধ্যম বাজেটের অনেক ফোনই যথেষ্ট ভালো পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম। প্রযুক্তি এত দ্রুত উন্নত হয়েছে যে এখন ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকার ফোনেও অ্যামোলেড ডিসপ্লে, ১২০হার্জ রিফ্রেশ রেট, ভালো ক্যামেরা এবং শক্তিশালী ব্যাটারি পাওয়া যাচ্ছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ‘দাম বনাম সুবিধা’। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে একটি পর্যায়ের পর অতিরিক্ত দাম দিলেও সুবিধা তুলনামূলকভাবে খুব বেশি বাড়ে না। অর্থাৎ এক লাখ টাকার ফোন ৪০ হাজার টাকার ফোনের তুলনায় দ্বিগুণ ভালো নাও হতে পারে। অনেক সময় অতিরিক্ত টাকা মূলত ব্র্যান্ড, ডিজাইন বা কিছু প্রিমিয়াম ফিচারের জন্যই খরচ হয়।

ক্যামেরার ক্ষেত্রেও একই বিষয় দেখা যায়। দামি ফোনে সাধারণত ভালো লো-লাইট ফটোগ্রাফি, অপটিক্যাল জুম ও উন্নত ভিডিও স্ট্যাবিলাইজেশন থাকে। তবে দিনের আলোতে সাধারণ ব্যবহারকারীর তোলা ছবিতে মাঝারি বাজেট ও ফ্ল্যাগশিপ ফোনের পার্থক্য অনেক সময় খুব বেশি চোখে পড়ে না।

ব্যাটারি লাইফ নিয়েও একটি মজার তথ্য রয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু জরিপে দেখা গেছে, এখন মানুষ ফোন কেনার সময় শুধু ব্র্যান্ড বা দাম নয়, ব্যাটারি ব্যাকআপকেও বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। অনেক মাঝারি দামের ফোনে এখন বড় ব্যাটারি থাকায় সেগুলো অনেক সময় দামি ফোনের থেকেও বেশি সময় চার্জ ধরে রাখতে পারে।

তবে এর মানে এই নয় যে দামি ফোন অপ্রয়োজনীয়। যারা দীর্ঘ সময় একটি ফোন ব্যবহার করতে চান, উন্নত ক্যামেরা চান বা নিয়মিত ভারী কাজ করেন, তাদের জন্য প্রিমিয়াম ফোন ভালো বিনিয়োগ হতে পারে। কিন্তু শুধুমাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার বা সাধারণ কাজের জন্য অতিরিক্ত টাকা খরচ করাটা অনেকের জন্য অপ্রয়োজনীয়ও হতে পারে।

কেএসকে