দীর্ঘদিনের ব্যর্থতার পর অবশেষে হিটের মুখ দেখেছেন বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার। হরর-কমেডি ঘরানার সিনেমা ‘ভূত বাংলা’ বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছে। এরই মধ্যেই সিনেমাটির আয় ২১১ কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। তবে এই সাফল্যের মাঝেই নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে সিনেমাটির প্রযোজনা সংস্থা বালাজি মোশন পিকচার্স।
ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেমার সঙ্গে কাজ করা কয়েকজন ভেন্ডর ও টেকনিক্যাল কর্মী অভিযোগ করেছেন-সিনেমার বাণিজ্যিক সাফল্যের পরও তাদের বকেয়া পারিশ্রমিক পরিশোধ করা হয়নি। কারও দাবি, প্রায় ৩০ লাখ রুপি এখনো বাকি রয়েছে। আবার কেউ অভিযোগ করেছেন, তার পাওনা প্রায় ১৮ লাখ রুপি।
এদিকে গত বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিনেমাটির সাফল্য উদযাপন করেন প্রযোজক একতা কাপুর। পোস্টে তিনি ‘ভূত বাংলা’র পুরো টিমকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও পরিচালক প্রিয়দর্শনের প্রশংসাও করেন।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, আগে সাধারণত ৯০ দিনের মধ্যে ইনভয়েসের অর্থ পরিশোধের রীতি থাকলেও এখন সেই নিয়ম অনেক ক্ষেত্রেই মানা হয় না। তাদের দাবি, সিনেমা মুক্তির পর বকেয়া অর্থ আদায় আরও কঠিন হয়ে পড়ে। একজন ভেন্ডর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সিনেমার মূল অভিনেতা ও গুরুত্বপূর্ণ টেকনিক্যাল টিমের পারিশ্রমিক দ্রুত মিটিয়ে দেওয়া হলেও অন্যদের মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে প্রযোজনা সংস্থাটি। বালাজি মোশন পিকচার্সের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বিভিন্ন প্রজেক্টের ক্ষেত্রে সংস্থা চুক্তি অনুযায়ী সব আর্থিক দায়বদ্ধতা পূরণ করেছে।’
আরও পড়ুন:
পাঁচ বছর পর একই অনুষ্ঠানে সামান্থা-নাগা, তবুও কথা হয়নি
শুটিংয়ে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা, থমকে গেল প্রভাসের ‘ফৌজি’
উল্লেখ্য, এর আগেও ‘তু ইয়া ম্যায়’ সিনেমাকে ঘিরে একই ধরনের বিতর্ক সামনে আসে। সম্প্রতি ক্যামেরা অপারেটর নিখিল পাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রযোজনা সংস্থা কালার ইয়েলো প্রোডাকশনসকে ট্যাগ করে বকেয়া অর্থ পরিশোধের দাবি জানান।
এমএমএফ

