Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img
Homeসালিশে কোলাকুলির সময় গোপনাঙ্গ চেপে ধরে হত্যাচেষ্টা

সালিশে কোলাকুলির সময় গোপনাঙ্গ চেপে ধরে হত্যাচেষ্টা

ফরিদপুরে সালিশ বৈঠকে এক কিশোরের গোপনাঙ্গ চেপে ধরে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (২ মে) দুপুরে ফরিদপুর জেলা সদরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের হাটগোবিন্দপুর কালিতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত কিশোর ওই এলাকার আজাদ মৃধার ছেলে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরের পরিবারের সঙ্গে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে প্রতিবেশী বিল্লাল মৃধা ও আনোয়ার মৃধাদের। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়ে এ দুই পরিবার। থানায় পাল্টাপাল্টি মামলাও করা হয়। তাদের মধ্যে চলমান বিরোধ মীমাংসায় শনিবার দুপুরে স্থানীয় নুরুদ্দিন শেখের বাড়িতে সালিশের আয়োজন করা হয়। সেখানে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম বাদশা মিয়া, ইউপি সদস্য আজিজুর রহমানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সালিশের শেষের দিকে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন দুই পরিবারের সদস্যরা। একপর্যায়ে ভোলা মোল্যা নামের এক ব্যক্তি ওই কিশোরের গোপনাঙ্গ চেপে ধরেন। এতে সে বমি করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন।

এ ঘটনায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কিশোরের বাবা আজাদ মৃধা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‌‘তাদের সঙ্গে আমাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এজন্য তারা পরিকল্পনা করে আমাদের ওপর একাধিকবার হামলা করেছে, বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। তারা আমাদের গ্রামে থাকতে দেবে না বলেও হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে।’

তিনি বলেন, ‘সালিশ বৈঠকে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার ছেলেকে মেরে ফেলার জন্য অণ্ডকোষ চেপে ধরে। এখনো আমার ছেলে সুস্থ হয়নি। ওর জীবন শেষ করে দিয়েছে। আমার ছেলের সঙ্গে যা হয়েছে আমি তার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

এ বিষয়ে বিল্লাল মৃধা বলেন, ‘ছেলেটির সঙ্গে যা হয়েছে তা অবশ্যই অন্যায় হয়েছে। সালিশে সবকিছু নিয়ে মীমাংসা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যায়ে আমার এক আত্মীয় তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে ঘটনাটি ঘটিয়েছে।’

ঘটনাটি নিশ্চিত করে কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম বাদশা মিয়া বলেন, দুই পরিবারের বিরোধ মেটাতে সালিশ ডাকা হয়। বিষয়টি মীমাংসাও হয়ে যায়। এরপর কোলাকুলি করার সময় এ ঘটনা ঘটিয়েছে, যা দুঃখজনক।’

এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদুল হাসান জানান, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এন কে বি নয়ন/এসআর/এএসএম