Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

ঈদে ট্রেনে ফিরতি যাত্রার টিকিট মিলবে ২১ মে

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ট্রেন যাত্রায় অগ্রিম টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। গত ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশ রেলওয়ের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশ...
Homeসরকার গঠনে আর কত আসন প্রয়োজন বিজয়ের দলের?

সরকার গঠনে আর কত আসন প্রয়োজন বিজয়ের দলের?

এবার তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনে সুপারহিট অভিষেক হয়েছে অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের। এবারের নির্বাচনে তার বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম’ (টিভিকে)-এর উত্থান সবার নজর কেড়েছে। হাতে ১০৭টি আসন নিয়ে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া বিজয় এবং তার দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) সরকার গঠন থেকে সামান্য দূরে আছেন।

২৩৪ সদস্যের তামিলনাড়ু বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে তাদের প্রয়োজন ছিল আর মাত্র ১১টি আসন। এখন বড় প্রশ্ন হলো এখন কী হবে বা রাজ্যে কী ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হবে? তবে একক দল হিসেবে টিভিকে এই সংখ্যায় পৌঁছাতে না পারলেও সবচেয়ে বেশি আসন তাদেরই হয়েছে।

একক বৃহত্তম দল হওয়ায়, টিভিকে-কে সরকার গঠনের জন্য রাজ্যপালের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানোর সম্ভাবনা রয়েছে, এমনকি যদি তা সংখ্যালঘু প্রশাসন হিসাবেও শুরু হয়। দলের অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিরা বাইরের সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। তারা দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগাম (ডিএমকে)-এর সঙ্গে বর্তমানে জোটবদ্ধ দলগুলোর সম্ভাব্য সমর্থনের দিকে ইঙ্গিত করছেন – যার মধ্যে রয়েছে কংগ্রেস, যারা পাঁচটি আসন জিতেছে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিআই), ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) (সিপিআইএম) এবং বিদুত্থালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে), যারা প্রত্যেকে দুটি করে আসন পেয়েছে।

এর আগে ২০০৬ সালের সংখ্যালঘু ডিএমকে সরকার বাইরের সমর্থনে টিকে গিয়েছিল। এমন পরিস্থিতি ডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে একটি নতুন বিন্যাস ঘটাতে পারে। বিশেষ করে কংগ্রেস, নির্বাচনের আগে টিভিকের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য জোটের কথা ভেবেছিল এবং ডিএমকের চেয়ে বেশি আসন নিশ্চিত করতে সেটিকে কাজে লাগিয়েছিল — যা জোটের মধ্যে আগে থেকেই বিদ্যমান টানাপোড়েনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

টিভিকে-র জন্য আরেকটি সম্ভাব্য পথ হলো পাট্টালি মাক্কাল কাচ্চি (পিএমকে)-র সমর্থন, যাদের পাঁচটি আসন রয়েছে। তবে অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগাম (এআইএডিএমকে)-এর সঙ্গে কোনো সরাসরি সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা কম বলেই মনে হচ্ছে, কারণ দলটি ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র সঙ্গে জোটবদ্ধ, যাকে বিজয় তার আদর্শগত প্রতিপক্ষ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এআইএডিএমকে এবং বিজয়ের দলের মধ্যে জোট হওয়া এখন খুবই কঠিন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ, গত কয়েক মাসের তিক্ততা, প্রকাশ্য আক্রমণ এবং ভেস্তে যাওয়া আলোচনা জোটের সব পথ প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২৫ সালের শেষের দিকে এআইএডিএমকে এবং টিভিকের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক আলোচনার সূত্রপাত হয়েছিল। কিন্তু সেই আলোচনা মুখ থুবড়ে পড়ে বিজয়ের দলের কঠোর শর্তের কারণে। এখন সরকার গঠনের জন্য টিভিকে কাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয় সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

টিটিএন