Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

বুদ্ধ পূর্ণিমায় পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে রাতের স্মৃতি

বুদ্ধ পূর্ণিমার জ্যোৎস্নায় পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারে দাঁড়িয়ে হারানো ইতিহাস, জ্ঞানসভ্যতা ও আত্মঅনুসন্ধানের গভীর অলৌকিক রাতের স্মৃতি জমা হলো আজ। আজকের রাতটি কেবল একটি রাত...
Homeসড়কে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর, ক্ষোভে ২ ডাম্প ট্রাকে আগুন দিলো জনতা

সড়কে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর, ক্ষোভে ২ ডাম্প ট্রাকে আগুন দিলো জনতা

‎রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বিড়ালদহ মাজার এলাকায় বালুবাহী ডাম্প ট্রাকের চাপায় নিহত হন চারঘাট থানাপাড়া এলাকার আকরাম নামের এক দোকানি (৫৫)। নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২টি ডাম্প ট্রাকে আগুন দিয়োছেন উত্তেজিত জনতা।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ৭টার দিকে বিড়ালদহ মাজারের দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া দৈনিক যায়যায় দিনের সাংবাদিক মোহাম্মদ আলীর মোবাইল ফোন ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

‎নিহত আকরামের বাড়ি রাজশাহীর সরদা থানা পাড়া এলাকায়। পেশায় তিনি একজন দরজি। তার বয়স আনুমানিক ৬০ বছর। পুঠিয়ার বিড়ালদহ মাজার এলাকায় তার একটি টেইলারের দোকান রয়েছে।

সড়কে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর, ক্ষোভে ২ ডাম্প ট্রাকে আগুন দিলো জনতা

‎প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে আকরাম রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী ডাম্প ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং ঘাতক ট্রাকটিকে আটকে ফেলেন। দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা মহাসড়কে নেমে আসেন। বিক্ষুব্ধ জনতা এসময় দুটি ডাম্প ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসময় উত্তেজিত জনতা পুলিশকে ঘটনাস্থলে আসতে বাধা দেয় এবং দীর্ঘক্ষণ মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে।

এদিকে ‎পেশাগত দায়িত্ব পালনে ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয়দের রোষানলে পড়েন সাংবাদিকরা। এসময় উত্তেজিত জনতা একজন সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয় এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ভেঙে ফেলে।

সড়কে প্রাণ গেলো ব্যবসায়ীর, ক্ষোভে ২ ডাম্প ট্রাকে আগুন দিলো জনতা

‎খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। শুরুতে বাধার সম্মুখীন হলেও পরে তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ট্রাকের আগুন নিভিয়ে ফেলেন।

এ বিষয় জানতে চাইলে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতা আমাদের ওপরও চড়াও হয়। পরে তারা কিছু দাবি জানায়। তার মধ্যে একটি হলো দিনের বেলায় ওই এলাকায় কোনো ডাম্প ট্রাক চলতে দেওয়া যাবে না। সড়কে স্পিডব্রেকার বসাতে হবে। তাদের এসব দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।

মনির হোসেন মাহিন/এফএ/এএসএম