Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

শরীরে ট্যাটু আঁকা থাকলে নামাজ হবে কি?

প্রশ্ন: ট্যাটু আঁকার ব্যাপারে ইসলাম কী বলে? শরীরে ট্যাটু আঁকা থাকলে কি নামাজ হবে? উত্তর: শরীরে ট্যাটু বা উল্কি আঁকা ইসলামে হারাম। রাসুল (সা.) শরীরে...
Homeপ্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে পাঠানো হবে না: ববি হাজ্জাজ

প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে পাঠানো হবে না: ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে পাঠানো হবে না। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকার এরই মধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীতে ‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ শীর্ষক এক নাগরিক সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষণ না দিয়ে আমরা কাউকে ক্লাসরুমে ঢোকাবো না। এ সিদ্ধান্তের কারণে সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষক আমার বিরুদ্ধে মিছিলও করেছেন। কিন্তু আমরা আমাদের অবস্থানে অনড় রয়েছি।

তিনি জানান, গত বছর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চলতি বছর নিয়োগ পাওয়া প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার শিক্ষকের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে। প্রশিক্ষণ শেষ হলে আগামী চার থেকে ছয় মাসের মধ্যে তাদের শ্রেণিকক্ষে পাঠানো হবে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়েও সরকার কাজ করছে জানিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, বেসরকারি স্কুলগুলোর সঙ্গে আমরা বসছি। কীভাবে তাদের আরও কার্যকর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা যায়, সেটি নিয়ে কাজ করছি।

শিক্ষা কমিশন গঠনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষা কমিশন হলে ভালো। তবে সরকার যেন জবাবদিহিতার বাইরে চলে না যায়, সে বিষয়ে নাগরিক সমাজকে ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন, সরকারের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের ডাকেন, প্রশ্ন করেন। উত্তরের মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব।

jagonews24‘সরকারের অগ্রাধিকার ও শিক্ষা খাত: বাজেট ও বাস্তবতা’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপ/ছবি: জাগো নিউজ

সরকারি চাকরিতে দলীয়করণের বিরোধিতা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই না সরকারি চাকরি দলীয়করণ হোক।

এ সময় ইবতেদায়ী শিক্ষা প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আনার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা দীর্ঘদিন ধরে ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে মন্তব্য করে ববি হাজ্জাজ বলেন, অনেক মেরামতের কাজ বাকি আছে। আমরা ধাপে ধাপে সংস্কারের চেষ্টা করছি।

তিনি আরও জানান, আগামী দিনে ১০ বছরের নিচের সব ধরনের শিক্ষাকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে এনে একই ধরনের কারিকুলামের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার একটি “সমমানের শিক্ষাক্রম” প্রণয়নের চেষ্টা করছে। আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য একটি টেকসই কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে, যা আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হবে।

সিপিডির অতিরিক্ত পরিচালক (গবেষণা) তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, শিক্ষায় সংস্কার লাগবে। শিক্ষার ক্ষেত্রে আমরা সরকারের ৫০টি ঘোষণা পেয়েছি। সরকারের মাত্র ৩ মাসও হয়নি। শিক্ষায় চারটি বড় বাধা আছে। এর মধ্যে একটি হলো শিক্ষায় বরাদ্দ কম। এক সময় শিক্ষায় বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশ থাকতো, নামতে নামতে তা এখন ১ দশমিক ৮ শতাংশ। মুশকিলটা হলো যেটা আসলে ব্যয় হয়.. কাজীর গরু কেতাবে আছে। গোয়ালে নেই। গোয়ালে আছে ১ দশমিক ৩ শতাংশ। 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রমুখ।

এসএম/এমএমকে