শেষ মুহূর্তে দল গোছানোর কাজে হাত দিলেও বোঝা যায়, বেশ ভালো দল হয়েছে লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জ। প্রথম ম্যাচ জয়ের পর আজ বৃহস্পতিবার বিকেএসপি তিন নম্বর মাঠে দ্বিতীয় খেলায় লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জ আরও উজ্জ্বল, আরও দুর্দান্ত।
তরুণ মিডল অর্ডার ব্যাটার সামিউন বাশার রাতুলের দুর্দান্ত শতকে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ৮৩ রানের দ্যুতিময় জয় পেয়েছে লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জ। ওপরে কেউ বড় রান করতে পারেননি।
প্রথমে আইচ মোল্লার ফিফটি (৭১ বলে ৬২) আর তানভীর হায়দারের (৫১ বলে ৫৬) ব্যাটে ধীরে ধীরে এগোচ্ছিল লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জ। পরে সামিউন রাতুল ঝড়ের বেগে শতক উপহার দিয়ে পুরো ইনিংসের চালচিত্র পাল্টে দেন। ৭০ বলে ১০ ছক্কা ও ৬ বাউন্ডারিতে ১১৬ রানের টর্পেডো ইনিংস খেলে রুপগঞ্জের রানকে সাড়ে তিনশোর ঘরে (৩৫৮/৮) পৌঁছে দেন।
জবাবে অভিজ্ঞ জিয়া (৭ ছক্কায় ৩৮ বলে ৬১) একা লড়াই করেন। এছাড়া ফজলে রাব্বি (৩০ বলে ৩২), অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান (৪০ বলে ৩৩) আর আল আমিন জুনিয়র (২৭ বলে ৩২) তিনটি মাঝারি ইনিংস খেললেও তা ছিল প্রয়োজনের তুলনায় নেহাতই অপ্রতুল। এ কারণেই বড় হার এড়ানো সম্ভব হয়নি বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের পক্ষে।
ব্যাট হাতে প্রিমিয়ার লিগে ঝড় তোলা সামিউন বাশার রাতুল পরে বল হাতেও বাঁহাতি স্পিনে বসুন্ধরার ৩ উইকেট তুলে নিয়ে হন ম্যাচসেরা। এছাড়া লিজেন্ডস অব রুপগঞ্জ অধিনায়ক শেখ মেহেদীও ৩ উইকেট নেন। এদিন বিকেএসপি ৪ নম্বর মাঠে অপর এক ম্যাচে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ১৮২ রানে হারিয়েছে রুপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবকে।
ওপেনার মুনিম শাহরিয়ারের ব্যাট থেকে আসে ৫৮ বলে ৯২ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস। তার সঙ্গে উইকেটকিপার সাব্বির হোসেন শিকদারের ৭১ বলে ৭২ রানের ইনিংস যোগ হলে গাজী গ্রুপের স্কোর দাঁড়ায় ২৮৫/৮। জবাবে মোহাম্মদ রুবেল (৪/৩৫) ও আজিজুল হাকিম রনির (৩/১১) বারুদে বোলিংয়ে মাত্র ১০৩ রানে অলআউট হয় রুপগঞ্জ টাইগার্স।
এআরবি/আইএইচএস/

