Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

পদত্যাগ করতে পারেন বিজয়ের দলের বিধায়করা

তামিল অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া বিজয়ের দল টিভিকে সতর্ক করে জানিয়েছে, ডিএমকে বা এআইএডিএমকের কেউ সরকার গঠনের দাবি জানালে দলের সব বিধায়ক পদত্যাগ...
Homeহরমুজ প্রণালিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘর্ষ

হরমুজ প্রণালিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘর্ষ

ইরানের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, দেশটির আঞ্চলিক জলসীমায় একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়। পরে তারা মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে পাল্টা হামলা করেছে।

এ ঘটনাকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যে নতুন উত্তেজনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে কেশম দ্বীপসহ বেসামরিক এলাকায় বিমান হামলাও চালিয়েছে। এতে কিছু আঞ্চলিক দেশের সহযোগিতা ছিল বলেও দাবি করা হয়, যদিও কোনো দেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমেরিকার আগ্রাসী, সন্ত্রাসী ও দস্যু বাহিনী যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে একটি ইরানি তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

ইরান আরও দাবি করে, তাদের পাল্টা হামলায় মার্কিন জাহাজগুলো গুরুতর ক্ষতির মুখে পড়েছে।

ইরানের সামরিক বাহিনী সতর্ক করে বলেছে, অপরাধী ও আগ্রাসী আমেরিকা এবং তাদের মিত্ররা জেনে রাখুক, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান অতীতের মতোই যেকোনো আগ্রাসনের জবাব কঠোরভাবে দেবে।

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনী জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে তারা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং উচ্চ বিস্ফোরক বহনকারী ড্রোন ব্যবহার করেছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের উসকানিমূলক হামলা প্রতিহত করেছে এবং আত্মরক্ষামূলক পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

সেন্টকমের দাবি, মার্কিন কোনো স্থাপনা বা জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

তারা আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে চায় না, তবে মার্কিন বাহিনী রক্ষায় সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

এই সংঘর্ষকে ইরানের বন্দর অবরোধের বিরুদ্ধে প্রথম সরাসরি সামরিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে। গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একাধিক জাহাজ আটক করেছে এবং আরও অনেক জাহাজকে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস এবং দক্ষিণ উপকূলীয় শহর মিনাবে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের এক জ্যেষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ইরানের হামলার মুখে মার্কিন নৌবাহিনীর তিনটি ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজ ওমান উপসাগরের দিকে সরে যায়।

এদিকে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে আলোচনা এগিয়ে চলছে বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

এমএসএম