Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

ছিনতাইকারীর কবলে জাগো নিউজের সাংবাদিক, খোয়ালেন মোবাইল-টাকা

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে জাগো নিউজের ঢাকা মেডিকেল প্রতিবেদক কাজী আল আমিনের নগদ টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, ব্যাংকের ডেবিট কার্ড ও...
Homeপাঁচ বছরে এক কোটি মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্য সরকারের

পাঁচ বছরে এক কোটি মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্য সরকারের

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি মানুষের বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার (৯ মে) বিকেলে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে বিদেশে বেশি সংখ্যক অদক্ষ কর্মী যাওয়ায় অনেকে প্রত্যাশিত জীবনমান অর্জন করতে পারেননি। তাই এখন দক্ষ জনশক্তি তৈরির দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে ১১০টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি মেরিন এবং ১০৪টি সাধারণ টিটিসি। এসব কেন্দ্রে ৫৮টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা ও কার্যক্রম যাচাই করতেই পরিদর্শন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

নুরুল হক নুর বলেন, অনেক ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের টিটিসিগুলোর সুযোগ-সুবিধা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের চেয়েও উন্নত। তবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে একই ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ কারণে সমন্বয়ের মাধ্যমে অর্থের অপচয় কমিয়ে কার্যকর প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন
ভারত-চীনের মধ্যে ফুটবল হবো না, তবে ফেয়ার প্লে নিশ্চিতে রেফারি হতে পারি 
দুই বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ 

তিনি আরও বলেন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও বিএমইটির যৌথ উদ্যোগে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে থাকা ১১০টি টিটিসির বাইরে আরও ৫০টি কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফরিদপুর ও শরীয়তপুরের মতো প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকায় নতুন কেন্দ্র স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে যাচাই ছাড়া অপ্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণে সরকার আগ্রহী নয় বলেও জানান তিনি। যেখানে প্রশিক্ষণার্থীর চাহিদা কম, স্থানীয় প্রভাব বা তদবিরের কারণে সেখানে কেন্দ্র স্থাপন করা হবে না বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

নুরুল হক নুর বলেন, অনেক টিটিসিতে এখনো পুরোনো যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে প্রশিক্ষণার্থীরা আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। এ কারণে টিটিসিগুলোকে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ সুবিধা দিয়ে উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিএমইটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক আশরাফ হোসেন, ব্যক্তিগত সহকারী জ্যোতিষর পালসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমআরএএইচ/কেএসআর