Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

দুই দিন করে মাছ খাওয়াবো, ৫ টাকাতেই খাওয়াবো: শুভেন্দু

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জনপ্রিয় ও জনকল্যাণমূলক সুলভ মূল্যের খাবার প্রকল্প ‘মা ক্যান্টিনে’ আগের মতো ৫ রুপিতেই খাবার মিলবে বলে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি...
Homeসিলেটের স্বাস্থ্যখাতে বাড়ছে ভবন, কমছে আস্থা

সিলেটের স্বাস্থ্যখাতে বাড়ছে ভবন, কমছে আস্থা

২৫ ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের ১১টিতে নেই মেডিকেল অফিসার
উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফার্মাসিস্টের ২৫ পদের মধ্যে শূন্য ২৪টি
৬৯ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসক পদই নেই

হাসপাতাল আছে, ভবন আছে, আছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সাইনবোর্ডও—কিন্তু নেই চিকিৎসক, ওষুধ কিংবা নিয়মিত সেবা। সিলেটে এভাবেই বছরের পর বছর ধরে স্বাস্থ্যখাতে অবকাঠামো নির্মাণ হলেও তার বড় অংশই কার্যকর স্বাস্থ্যসেবায় রূপ নিতে পারেনি। ফলে গ্রামের রোগীরা ছুটছেন শহরে, আর ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সামলাচ্ছে সক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি রোগীর চাপ। স্বাস্থ্যসেবার এই বৈপরীত্য এখন সিলেটের অন্যতম বড় জনভোগান্তিতে পরিণত হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সিলেটের উপজেলা হাসপাতালের বাইরে কমিউনিটি পর্যায়ে সরকারি ৩৭০টি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সম্প্রতি সিলেট সিটি করপোরেশনের আরও ছয়টি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নিয়েছে স্বাস্থ্যবিভাগ। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ‘কৃতিত্ব’ দেখানোর প্রতিযোগিতায় গড়ে ওঠা এসব প্রতিষ্ঠানই এখন সরকারের ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, সিলেটে ২৫ ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ৬৯ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং ২৭৬ কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এর বাইরে প্রত্যেক উপজেলায় স্যাটেলাইট ক্লিনিকের মাধ্যমেও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক, নার্স, ফার্মাসিস্ট ও স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি রয়েছে। কোথাও ওষুধ নেই, কোথাও নিয়মিত চিকিৎসক বসেন না। ফলে রোগীরা তৃণমূল পর্যায়ে চিকিৎসা না পেয়ে ছুটছেন শহরের হাসপাতালে। যার কারণে সরকারি সেবাপ্রাপ্তিদের চাপ বাড়ছে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

আরও পড়ুন
২২ বছর ধরে নির্মিত হাসপাতালে চিকিৎসা মেলে না আজও
১১ বছর ধরে তালাবদ্ধ কোটি টাকার আইসিইউ
জনবল সংকটে অকেজো হাসপাতালের আধুনিক যন্ত্রপাতি

ওসমানী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে ৩ থেকে ৪ হাজার রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। হাসপাতালে গড়ে ভর্তি থাকেন প্রায় ৩ হাজার রোগী। অথচ হাসপাতালটির শয্যাসংখ্যা মাত্র ৯০০। অতিরিক্ত রোগীর চাপে প্রতিদিনই হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। সিলেট জেলা ছাড়া বিভাগের চার জেলা, এমনকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও নেত্রকোনার রোগীরাও আসেন এখানে।

‘স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীনে পরিচালিত প্রতিটি ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন মেডিকেল অফিসারসহ পাঁচটি পদে জনবল থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ কেন্দ্রেই চিকিৎসক নেই’

সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মাহবুবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘সিলেট বিভাগের চারটি জেলা হাসপাতালেই চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারী ও যন্ত্রপাতির সংকট রয়েছে। এসব হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করে প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বাড়ানো গেলে ওসমানী হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।’

অবকাঠামো থাকলেও সেবার বালাই নেই

২০০২-০৩ সালের দিকে স্বাভাবিক প্রসবের জন্য সিলেট নগরীর মদিনা মার্কেট এলাকায় পরিচালিত জেলা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র ছিল জেলার অন্যতম নির্ভরযোগ্য সরকারি প্রতিষ্ঠান। ছোট পরিসরের হলেও হাসপাতালটিতে সেবার মান ভালো ছিল এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে রোগীরা চিকিৎসা নিতেন।

কিন্তু ২০০৫ সালে তৎকালীন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য শফি চৌধুরীর উদ্যোগে হাসপাতালটি দক্ষিণ সুরমার তেতলি ইউনিয়নের অতিরবাড়ি এলাকায় স্থানান্তর করা হয়। নতুন ভবন ও কোয়ার্টার নির্মাণ হলেও হাসপাতালটি কার্যত একটি নির্দিষ্ট এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। ফলে অন্য এলাকার রোগীদের জন্য এটি আগের মতো কার্যকর থাকেনি।

সিলেটের স্বাস্থ্যখাতে বাড়ছে ভবন, কমছে আস্থা

স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের মতে, স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার প্রয়োজন ও রোগীর প্রবেশগম্যতার চেয়ে রাজনৈতিক বিবেচনাই এ ধরনের সিদ্ধান্তে বেশি প্রাধান্য পেয়েছে।

সিলেট নগরীর ভেতরেও রয়েছে আরেকটি ‘বেওয়ারিশ’ হাসপাতাল। ঐতিহ্যবাহী আসাম প্যাটার্নের আবু সিনা ছাত্রাবাস ভেঙে সেখানে নির্মাণ করা হয় ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতাল। শুরুতে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা স্থাপনাটি ভাঙার বিরোধিতা করেছিলেন। পরে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাসপাতালটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন। তবে ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো চালু হয়নি।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের মতামত ছাড়াই অবকাঠামো নির্মাণ করায় সেটি পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। ফলে গণপূর্ত বিভাগও হাসপাতালটি বুঝিয়ে দিতে পারছে না। অবশ্য সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট সফর শেষে এ হাসপাতালটিকে দ্রুত চালুসহ আরও শয্যা বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।

ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকের দেখা মেলে না

সিলেট জেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৯৪টি। এর মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীনে ২৫টি ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অধীনে রয়েছে ৬৯টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র।

‘কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর অবস্থাও বেহাল। ওষুধ সংকট দীর্ঘদিন থেকেই। ওষুধ না থাকায় কখনো কখনো কোনো ক্লিনিকের দরজাও খোলেন না স্বাস্থ্যকর্মীরা’

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অধীনে পরিচালিত প্রতিটি ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে একজন মেডিকেল অফিসারসহ পাঁচটি পদে জনবল থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবে অধিকাংশ কেন্দ্রেই চিকিৎসক নেই। যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসক পদায়ন রয়েছে, সেসব চিকিৎসক উপজেলা হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করেন। ফলে ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র চলে একজন স্বাস্থ্যকর্মী দিয়ে।

আরও পড়ুন
হাসপাতালে জলাতঙ্কের চিকিৎসায় একমাত্র উত্তর ‘ভ্যাকসিন নেই’
এমপির প্রভাবে গ্রামে ‘নির্বাসিত’ জেলা স্বাস্থ্যসেবা
অদ্ভুত স্থবিরতায় ধুঁকছে ১০ বার দেশসেরা হওয়া হাসপাতাল

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৫টি ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মেডিকেল অফিসারের ২৫ পদের মধ্যে ১১টিই শূন্য। উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের ২৫টির মধ্যে ১৪টি এবং ফার্মাসিস্টের ২৫টির মধ্যে ২৪টি পদ খালি। এছাড়া মিডওয়াইফ ও অফিস সহায়ক পদেও রয়েছে সংকট।

পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অধীনে থাকা ৬৯টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে চিকিৎসকের পদ নেই। সেখানে সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো) ও পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) দিয়ে সেবা চালানো হয়। কিন্তু এখানেও জনবলসংকট প্রকট।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসের তথ্যমতে, স্যাকমোর ৬৪টি পদের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ১৯ জন, বাকি ৪৫টি পদ শূন্য। এফডব্লিউভির ১১৩টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৭৪ জন।

সিলেট সদর উপজেলার খাদিমাপাড়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) রণজিতা রানী জাগো নিউজকে বলেন, ‘নয় মাস ধরে এখানে স্যাকমো নেই। আয়া থেকে শুরু করে সব কাজ আমাকে করতে হয়। কয়েক মাস ধরে ওষুধও নেই। ওষুধ না থাকলে রোগীরাও আসেন না।’

দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট আয়মন বিশ্বাস বলেন, অনেকেই শুধু ওষুধ নিতে আসে। ওষুধ না থাকলে কেন্দ্র প্রায় ফাঁকাই থাকে। তিনি জানান, এখানে একজন মেডিকেল অফিসার রয়েছেন, কিন্তু তিনি দক্ষিণ সুরমা উপজেলা হাসপাতালে রোগী দেখেন।

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত জাগো নিউজকে বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সরাসরি নিয়ন্ত্রণাধীন কেন্দ্রগুলোকে ইউনিয়ন সাব-সেন্টার এবং পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অধীন কেন্দ্রগুলোকে ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার সেন্টার বলা হয়। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে নিজস্ব চিকিৎসক নেই, তাই স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে চিকিৎসকদের অনেক সময় সাব-সেন্টারে বা পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রে পদায়ন করা হয়।’

তিনি বলেন, বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ বেশি থাকায় সব সাব-সেন্টারে চিকিৎসক দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে সাব-সেন্টারের ডাক্তারদের সপ্তাহে ১-২ দিন সেখানে গিয়ে বাকি সময় উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালন করতে হয়।

তবে ওসমানীনগর উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স এখনো পুরোপুরি চালু না হওয়ায় সেখানকার সাব-সেন্টারগুলোতে চিকিৎসকরা নিয়মিত বসছেন বলে জানান তিনি।

কমিউনিটি ক্লিনিকেও সংকট

সিলেট জেলায় সরকার পরিচালিত কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে ২৭৬টি। এসব ক্লিনিকে একজন করে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার দায়িত্ব পালন করেন। তবে এখানেও রয়েছে জনবলসংকট। ২৭৬টি পদের মধ্যে বর্তমানে কর্মরত আছেন ২৫৮ জন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর অবস্থাও বেহাল। ওষুধ সংকট দীর্ঘদিন থেকেই। ওষুধ না থাকায় কখনো কখনো কোনো ক্লিনিকের দরজাও খোলেন না স্বাস্থ্যকর্মীরা। স্বাস্থ্য বিভাগের তদারকির অভাবে দিনের পর দিন সংকটাপন্ন অবস্থার দিকে যাচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো।

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত বলেন, ‘সাধারণ মানুষকে ছোট সমস্যার জন্য উপজেলা কমপ্লেক্সে যেতে না হয়, সেজন্য প্রতিটা ইউনিয়নে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সাব-সেন্টার চালু করা হয়েছে। ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিকও রয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে স্থানীয় এমপি এসব কেন্দ্রের সামগ্রিক তদারকি করেন। সিভিল সার্জনের কার্যালয় থেকেও নিয়মিত মনিটরিং করা হয়।’

আরও পড়ুন
ঝোপঝাড়ে, নৌকায়—পথেই হয়ে যায় প্রসব
ক্রসম্যাচ ছাড়াই রক্ত দিচ্ছে রেড ক্রিসেন্ট ব্লাড সেন্টার

সিলেট জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. নিয়াজুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘ইউনিয়ন পর্যায়ের এ স্থাপনাগুলোর মালিকানা সরকারের হলেও জমি সাধারণত স্থানীয় জনগণ বা জনপ্রতিনিধিরা দান করেন। আগে অনেক ক্ষেত্রে ৩৩ থেকে ৪০ শতাংশ জমি মানুষ দান করতো। আবার কোথাও জনস্বার্থে সরকার জমিও কিনে নিত। পরবর্তীতে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এই স্থাপনাগুলো তৈরি এবং এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে চলে যায়।’

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকার নগর স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো আগে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে থাকলেও সম্প্রতি সেগুলো স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে আনা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ এবং পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের স্থাপনা আলাদা আলাদাভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ইউনিয়ন পর্যায়ের স্থাপনায় সাধারণত মেডিকেল অফিসার থাকে না।

নিয়াজুর রহমান বলেন, তবে স্বাস্থ্য বিভাগের অধীনে থাকা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে মেডিকেল অফিসার বসেন। দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট কাটছে না। সম্প্রতি জেলা প্রশাসনের মাসিক সমন্বয় সভাতেও এ বিষয়ে আমরা কথা বলেছি।

কেএইচকে/এএইচ/এমএস