বৃষ্টি বাগড়া দিয়েছে। ৬ ম্যাচের কোনোটাই ৫০ ওভার পূর্ণ হয়নি। সবকটিই বৃষ্টির কারণে ছোট হয়ে গেছে।
৩০-৩৫ ওভারের কর্তিত খেলায় সেঞ্চুরি হওয়া কঠিন। তাই এবারের প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের প্রথম দিন কোনো শতরানের দেখা মেলেনি। তবে একটি সেঞ্চুরি প্রায় হয়ে যাচ্ছিল; কিন্তু অল্পের জন্য হয়নি। মাত্র ১ রানের আক্ষেপ লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের ওপেনার আশিকুর রহমান শিবলীর। তিনি ৮৪ বলে অপরাজিত থেকে গেলেন ৯৯ রানে।
ক্রিকেটার্স একাডেমি মাঠে রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে ৩৪ ওভারের ম্যাচে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে ওপেন করতে নেমে ৮৪ বলে ১১ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৯৯ রানে শেষ পর্যন্ত নটআউট থাকেন আশিকুর রহমান শিবলী।

রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবের বাঁ-হাতি পেসার সুমন খানের করা ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে স্ট্রাইক নেওয়ার আগে শিবলীর স্কোর ছিল ৮২ বলে ৯৭। কিন্তু প্রথম বলেই সিঙ্গেল নিয়ে নিজের সর্বনাশ ডেকে আনেন তিনি।
পরের ৪ বলে এক ছক্কা, ২ বাউন্ডারি ও এক সিঙ্গেল নিয়ে শেষ বলে শিবলীকে স্ট্রাইক দেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের অধিনায়ক শেখ মেহেদী। শতরান থেকে মাত্র ২ রান দূরে দাঁড়িয়ে বাউন্ডারি বা ছক্কা হাঁকানো তো দূরের কথা, ডাবলসও নিতে পারেননি শিবলী। শেষ বলে সিঙ্গেল নিয়ে ৯৯ রানে নটআউট থেকে যান।
শিবলীর মতো অত বড় ইনিংস উপহার দিতে না পারলেও ছক্কা বৃষ্টি উপহার দিয়ে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে ২৮০’র ঘরে পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন তিন তরুণ- ইরফান শুক্কুর (৫১ বলে ৩ ছক্কায় ৬০), সামিউন বাশার রাতুল (২২ বলে ৫ ছক্কায় ৪৬) ও শেখ মেহেদী (১৬ বলে ৪ ছক্কা ও ৫ বাউন্ডারিতে ৪৯* )।
তাতে করে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের স্কোর গিয়ে থামে ২৮৩/৩। একমাত্র কম রানে আউট হওয়া ব্যাটার ছিলেন হাবিবুর রহমান সোহান (৩১ বলে ২৩)।
শেষ পর্যন্ত লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বোলাররা এই বড় স্কোরকে জয়সূচক পুঁজিতে পরিণত করেন। আব্দুল মজিদ (৩৮ বলে ৪১), কালাম সিদ্দিকী এলিন (৪৬ বলে ৫ ছক্কা ও ৭ বাউন্ডারিতে ৭৮) এবং শেষ দিকে মুকতার আলী (২৭ বলে ৩ ছক্কা ও ৫ বাউন্ডারিতে ৫২) ঝোড়ো ইনিংস খেললেও রূপগঞ্জ টাইগার্সের জবাবটা খারাপ হয়নি।
তবে শেষ পর্যন্ত ২৬১ রানে থেমে ২২ রানের হার মানতে হয় তাদের।
এআরবি/আইএইচএস/

