মুসলমানদের দ্বিতীয় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা আর মাত্র একদিন পরই। রাজধানীর যেসব বাসিন্দারা কোরবানি দেবেন তারা অনেকেই পশু কিনেছেন। পশু জবাই ও মাংস কাটার জন্য সরঞ্জামও কিনছেন। শেষ মুহূর্তে খাইট্টা ও হোগলার চাটাই বেচা-কেনার ধুম লেগেছে।
মৌসুমি ব্যবসায়ীরা রাজধানীর নামকরা বাজার, পশুর হাটের আশপাশে, অলিগলিতে খাইট্টা, হোগলার চাটাই, পাটের রশি, ছুরি-চাপাতি, ভুসি, খড়, ঘাস ও কাঁঠালের কাঁচা পাতা নিয়ে বসেছেন বিক্রির জন্য।
মঙ্গলবার (২৬মে) রাজধানীর কারওয়ানবাজার, যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় এ দৃশ্য দেখা গেছে।
ঢাকার বিভিন্ন স্থানে মাংস কাটার জন্য গাছের গুঁড়ি (খাইট্টা) এবং হোগলা পাটি বিক্রি করছেন মৌসুমি বিক্রেতারা। গ্রামাঞ্চল থেকে এই পণ্যগুলো এনে শহরের বিভিন্ন মোড়ে বা বাজারে বিক্রি করেছেন তারা।

কারওয়ান বাজারে চা বিক্রির পাশাপাশি ভাতিজাকে সঙ্গে নিয়ে হোগলা ও খাইট্টা বিক্রি করছেন এক ব্যক্তি। জাগো নিউজকে তিনি বলেন, আমি চা বিক্রি করি। কিন্তু কোরবানির ঈদের সময় একটু বাড়তি আয়ের আশায় গত দুই বছর ধরে চায়ের দোকানের পাশাপাশি এসব বিক্রি করি। মাঝারি সাইজের হোগলা ১৫০ টাকা, একটু বড়গুলি ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং আড়াইশ টাকায় বিক্রি করি।
রাজধানীর শনির আখড়ায় রাস্তার ওপরে দাঁড়িয়ে ছোট-বড় বিভিন্ন আকৃতির খাইট্টা বিক্রি করছেন আওলাদ হোসেন। তিনি জাগে নিউজকে বলেন, গত দুই দিনে তিনশ খাইট্টা বিক্রি করেছি। এখনো ২-২৫০টির মতো বিক্রি বাকি।
কারওয়ান বাজারের অন্য এক হোগলা ও খাইট্টা বিক্রেতা জাগো নিউজকে বলেন, রোববার খাইট্টা ও চাটাই বিক্রি শুরু করেছি। সোমবার বৃষ্টির কারণে একটু কম বিক্রি হয়েছে। কিন্তু সোমবার বিকেল গড়িয়ে রাতে এবং আজকে মঙ্গলবার (২৬ মে) প্রচুর বিক্রি হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিটি খাইট্টা আকারভেদে ২০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি চাটাই ১৫০ টাকা থেকে সাড়ে ৩০০ টাকায় বিক্রি করছি।
এফএইচ/এএমএ

