Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

আসামে বিজেপির হ্যাটট্রিক, বিপুল ব্যবধানে জয়ী মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত

টানা তৃতীয়বারের মতো আসামে বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হলো ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। রাজ্যের ১২৬ আসনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৭৬টি আসন। জয় ও এগিয়ে...
Homeদুবাইয়ের হাসপাতালে রন হক শিকদারের মৃত্যুর গুঞ্জন

দুবাইয়ের হাসপাতালে রন হক শিকদারের মৃত্যুর গুঞ্জন

অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী রন হক শিকদারের মৃত্যুর গুঞ্জন উঠেছে। সোমবার (৪ মে) দুপুরে তিনি দুবাইয়ের একটি হাসপাতালে মারা যান বলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের খান। তার পোস্টে অনেকে কমেন্ট ও শেয়ার করছেন।

পোস্টে জুলকারনাইন সায়ের জানান, দুবাইয়ের মেডিক্লিনিক পার্কভিউ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে তিনি (রন হক শিকদার) মৃত্যুবরণ করেন।

পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাত দিয়ে পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, লিভারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন রন হক শিকদার এবং প্রায় এক সপ্তাহ আগে এ-সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

jagonews24

সিকদার গ্রুপ অব কোম্পানিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রন হক শিকদার গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘদিন ধরে থাইল্যান্ড ও আমিরাতে অবস্থান করছিলেন।

অর্থপাচার ও দুর্নীতির অভিযোগে ২০২৪ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক পরিচালক রন হক শিকদার ও তার ভাই রিক হক শিকদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্ত শেষে দুই মামলায় পৃথক চার্জশিট দাখিল করা হয়।

আরও পড়ুন
অর্থপাচার: রন-রিকসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট
সিকদার গ্রুপের রণ-রিক হকসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
থাইল্যান্ডের ৭ কোম্পানিতে শিকদার পরিবারের বিনিয়োগ অবরুদ্ধের আদেশ

দুদকের তদন্তে জানা যায়, রন ও রিক হক শিকদার তাদের নামে পরিচালিত ফরেন কারেন্সি (এফসি) অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি ও সার্কুলার লঙ্ঘন করে ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে বিভিন্ন ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করেন।

এর মধ্যে রন হক শিকদার ৬০ লাখ ৯২ হাজার ২২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৫০ কোটি টাকা) এবং রিক হক শিকদার ২৬ লাখ ২২ হাজার ৪৯৯ মার্কিন ডলার (প্রায় ২১ কোটি টাকা) অবৈধভাবে বিদেশে ব্যয় করেন। পরবর্তী সময়ে ওই অর্থ পাচারের মাধ্যমে বৈধ করার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

মামলা দুটির আসামিরা হলেন- মো. মাহফুজুর রহমান, শাহ সৈয়দ আবদুল বারী, এম এ ওয়াদুদ, এ এস এম বুলবুল, চৌধুরী মোশতাক আহমেদ, উজ্জ্বল কুমার পাল, মোহাম্মদ রেজওয়ানুল হক, সুবীর চন্দ্র কর, মো. শামসুল আলম, এ এন এম আহসান হাবিব ও তারিকুল ইসলাম খান। তারা ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা।

টিটি/বিএ