পিরোজপুরের জিয়ানগরে পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় নমিতা রানী (৮০) নামের এক বৃদ্ধাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে গৃহবধূর বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাতে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কলারন গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত নমিতা রানী ওই গ্রামের রাধে শ্যামের স্ত্রী।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে নিজ ঘরের খাটে ঘুমিয়ে ছিলেন নমিতা রানী। রাত ৯টার দিকে বাজার থেকে বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে ডাকাডাকি করেন রাধে শ্যাম। তবে কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি খাটের কাছে গিয়ে মুখের ওপর থাকা কাঁথা সরিয়ে দেখেন, নমিতা রানী মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। এসময় খাটের পাশে তার হাতের শাখা ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। গলাতেও ছিল ক্ষতের চিহ্ন।
পরিবারের দাবি, নিহতের পুত্রবধূর সঙ্গে দীর্ঘদিন স্থানীয় কামাল পঞ্চায়েতের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। তিনি নিয়মিত ওই বাড়িতে যাতায়াত করতেন। তবে পরকীয়ায় প্রায়ই বাধা দিতেন নমিতা রানী। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পুত্রবধূ বন্যা রানী, কামাল পঞ্চায়েত ও পুত্রবধূর মামা তাপস দেবনাথ মিলে নমিতা রানীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। ঘটনার পর থেকে কামাল পঞ্চায়েত পলাতক।
এ বিষয়ে ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, এ ঘটনায় জনরোষ থেকে বাঁচানোর জন্য ওই গৃহবধূ ও তার মামাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তরিকুল ইসলাম/এসআর/এমএস

