Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

সাফের সেমিফাইনাল ও ভারতকে হারানো সেরা সফলতা মনে করছেন ক্যাবরেরা

  বাংলাদেশের ফুটবলের সাথে হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার পথচলার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে ৩০ এপ্রিল। বাংলাদেশের ফুটবলে সবচেয়ে বেশি সময় কোচের দায়িত্ব পালন করা এই স্প্যানিশ এখন শুধুই অতীত।...

Here’s the latest.

Homeবিচারকশূন্য নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে ঝুলছে ৪ হাজার মামলা

বিচারকশূন্য নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে ঝুলছে ৪ হাজার মামলা

দীর্ঘ চার মাস ধরে বিচারকশূন্য অবস্থায় রয়েছে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। জেলার একমাত্র এ ট্রাইব্যুনালে বর্তমানে ৪ হাজারের বেশি মামলা বিচারাধীন থাকলেও বিচারক না থাকায় কার্যক্রম কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিচারপ্রার্থীরা।

আদালত সূত্র জানায়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৪২টি। এর মধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা রয়েছে ২ হাজার ৫২২টি, শিশু বিষয়ক মামলা ৬২৬টি, মানবপাচার মামলা ১৫১টি এবং কোর্ট পিটিশন মামলা রয়েছে ১ হাজার ৪৩টি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে বিচারক বেগম ছুমিয়া খানম সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যোগদান করেন। তবে নিয়মিত কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগেই ২০২৬ সালের ৮ জানুয়ারি তিনি বদলি হয়ে যান। এরপর থেকেই আদালতটি বিচারকশূন্য অবস্থায় রয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর শেখ আলমগীর আশরাফ বলেন, দীর্ঘদিন বিচারক না থাকায় স্বাভাবিক বিচার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বিচারপ্রার্থীরা আদালতে এসে শুধু তারিখ নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। মামলার কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

বর্তমানে সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালটির ভারপ্রাপ্ত বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন। নিজ আদালতের দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি কিছু জরুরি মামলার কার্যক্রম পরিচালনা করলেও নতুন মামলা গ্রহণ, অভিযোগ গঠন ও সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম প্রায় বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু বলেন, দীর্ঘদিন বিচারক না থাকায় ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যক্রম প্রায় মুখ থুবড়ে পড়েছে। দ্রুত বিচারক নিয়োগ না হলে মামলার জট আরও বাড়বে এবং বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে জেলার একমাত্র নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচারক নিয়োগ দিয়ে স্বাভাবিক বিচার কার্যক্রম চালুর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্টরা।

আহসানুর রহমান রাজীব/এফএ/জেআইএম