Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

শনিবার চাঁদপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল শনিবার (১৬ মে) চাঁদপুর সফরে যাচ্ছেন। তিনি কুমিল্লায় একটি পথসভায় অংশ নেবেন এবং চাঁদপুরে দুটি খাল পুনঃখনন...
Homeভোমরা স্থলবন্দর থেকে তিনমুখ পিলারে যাত্রা: প্রথম পর্ব

ভোমরা স্থলবন্দর থেকে তিনমুখ পিলারে যাত্রা: প্রথম পর্ব

মাসফিকুল হাসান টনি

ঘড়িতে সময় তখন রাত ৩টা বেজে ৪০ মিনিট। বাস গন্তব্যে পৌঁছে গেছে। বাস থেকে নেমে রাস্তার পাশে একটি টং দোকানে গিয়ে বসলাম। সাতক্ষীরা শহরে আমার প্রথম পা পড়লো। ভোমরা স্থলবন্দরে যাওয়ার জন্য আমাকে ভোর হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এক কাপ দুধ চা নিয়ে রাস্তায় এসে দাঁড়ালাম। এরই মধ্যে শুরু হলো ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। আকাশে মাঝারি আকারের চাঁদ, হাতে এক কাপ দুধ চা; গল্পটা জমেছিল বেশ।

এমন পরিবেশে দু-চার ঘণ্টা হরহামেশা কাটিয়ে দেওয়া যায়। চা পান করতে করতে এক বৃদ্ধ ভ্যান চালকের সঙ্গে আলাপ শুরু করলাম। তার গ্রামের বাড়ি সুন্দরবনের খুব কাছে। সরাসরি বাঘ দেখেছেন তিনবার। উপকূল অঞ্চলের মানুষের জীবন বেশ কঠিন। সেটা দুর্যোগের সময় হাড়ে হাড়ে টের পান তারা। তার ২ ছেলে ১ মেয়ে। তার পারিবারিক গল্প শুনতে শুনতে আমি জানতে চাইলাম সাতক্ষীরার বিখ্যাত খাবার সম্পর্কে। তিনি বললেন চুইঝাল আর মিষ্টির কথা। মনস্থির করলাম এই দুই খাবার মিস করা যাবে না একদম।

দিনটি কেমন কাটবে, কল্পনায় সেসব পরিকল্পনা করতে করতেই ২ ঘণ্টা যেন কেটে গেল। সেখান থেকে লোকাল সিএনজিযোগে ভোমরার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলাম। সিএনজিযাত্রায় একটু ঘুম ঘুম পাচ্ছিল। ৬টা ২০ মিনিটে পৌঁছে গেলাম ভোমরা স্থলবন্দরে। স্থলবন্দরের কাছাকাছি যেতেই একজন বিজিবি সদস্য ডেকে জিজ্ঞেস করলেন কোথা থেকে এসেছি। বললাম, ঢাকা থেকে। এরপর আমিই বললাম, আমি এখান থেকে হেঁটে রাঙ্গামাটি পর্যন্ত সফরের উদ্দেশ্যে বের হয়েছি। জিজ্ঞেস করলাম, এখানে কি ছবি তুলতে পারি? বললেন, একদম ইমিগ্রেশনে পারবেন না। তবে মাইলফলকের সঙ্গে ছবি তুলতে পারেন। আমি বাড়তি অনুরোধ না জানিয়ে মাইলফলকের কাছে আসলাম। রাস্তায় সারি সারি ভারতীয় ট্রাক। ট্রাকের পাশেই একজন ড্রাইভার দাঁড়িয়ে ছিলেন। তাকে অনুরোধ করলাম ছবি তুলে দেওয়ার জন্য। তিনি ছবি তুলে দিলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, ওপারে যাবো কি না? বললাম, না, যাবো রাঙ্গামাটি। আমার অভিযানের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে বললাম, পরে ভারতেও যাবো সুযোগ হলে। তিনি বললেন, পুরো ভারত কখনোই পারবেন না শেষ করতে! বললাম, পুরো ভারত হেঁটে পাড়ি দেওয়া যে কারো জন্যই কঠিন। তাছাড়া অন্য অনেক দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে আমার।

তাকে বিদায় জানিয়ে শুরু করলাম হাঁটা। তার পূর্বে, পাশের এক পরিত্যক্ত ছোট্ট ঘরে আমি আমার পোশাক পরিবর্তন করে নিলাম। তখন সকাল ৬টা ৪০ মিনিট। গুগল ম্যাপের সহযোগিতায় হাঁটতে হাঁটতে কিছুটা যাওয়ার পরে বুঝতে পারলাম শুরুতেই পথ ভুল করেছি।

সরু পিচঢালা পথ ফেলে মেঠোপথ ধরে নীরব এক গ্রামে প্রবেশ করেছি। রাস্তার পাশে সবুজ ধানক্ষেত আর পুকুর। সঠিক পথ খুঁজে পেতে খুব একটা সময় লাগেনি। গ্রামের মেঠোপথে চক্কর কেটে ফিরে এলাম মূল সড়কে। সে কী কাদা! শত শত ট্রাকের সারি। আর পুরো রাস্তা যেন কাদার স্বর্গ। এ কাদার কারণ জানতে খুব বেশি সময় লাগলো না। প্রায় ৩ কিলোমিটার কাদাযুক্ত পথ পেরিয়ে আসতেই হঠাৎ বৃষ্টি।

toni

ট্রাকের জানালা দিয়ে এক ড্রাইভার আমাকে ট্রাকে উঠে আসতে বললেন। আমি দৌড় দিয়ে ড্রাইভারের পাশের সিটে উঠে পড়লাম। কিছুক্ষণ বসে ড্রাইভারের সঙ্গে গল্প করলাম। বৃষ্টির স্থায়িত্বকাল খুবই কম। নেমে আবার এগিয়ে যেতে শুরু করলাম। কাদার রাস্তা পেছনে ফেলে এসেছি। রাস্তার দুপাশে বিস্তৃত বিল আর মাঝে মাঝে বাড়ি। এরই মধ্যে দেখা পেলাম রোদের। আবহাওয়া খুব সুবিধার লাগছিলো না। এসব ভাবতেই আবার বৃষ্টি। ফাঁকা রাস্তায় আশ্রয়ের জায়গা না পেয়ে রেইনকোট বের করতে বাধ্য হলাম। কিন্তু ৫ মিনিটেই বৃষ্টি গায়েব। বৃষ্টি আর রোদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাদামতলী পার হয়ে পৌঁছে গেলাম সাতক্ষীরা মেডিকেলের সামনে। তখন সময় সকাল ৯টা বেজে ৩ মিনিট। অর্থাৎ আমার নাস্তা করার সময় হয়েছে। হোটেলে গিয়ে আমার পছন্দের খাবার খিচুড়ি আর গরুর ভুনা অর্ডার করলাম। ঢাকার বাহিরে মফস্বলের খিচুড়ি আমার বেশ পছন্দের।

সকালের পেটপূজা শেষে আবারও বেরিয়ে পড়লাম। সামনেই বাঁকাল খাল। সেখান থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার পরেই সদর বাজার। এ সময়ের রোদটা খুবই বিরক্তিকর। বিরক্তির আরেকটি কারণ হলো ভারী নাস্তা শেষে হাঁটা। হাইকিংয়ের সময় নিজেকে খুব বেশি বিশ্রাম দেওয়ার অবসর থাকে না।

বাজারে পৌঁছে জনপ্রিয় মিষ্টির খোঁজ নিলাম। দুজনের কাছ থেকে শুনলাম ভাগ্যকূল মিষ্টান্ন ভান্ডারের কথা, সেটা নাকি বেশ জনপ্রিয়। মূল রাস্তা থেকে এক মিনিটের পথ। সেখানে গিয়ে খেলাম ইরানি কাটলেট আর সরপুরিয়া মিষ্টি। দুটোই খেতে দারুণ। আমার জন্মস্থান নাটোরে। নাটোরের কাঁচাগোল্লা দেশের অন্যতম মিষ্টান্ন। তবে সাতক্ষীরার মিষ্টি ও ঘিয়ের সুনাম রয়েছে দেশজুড়ে। মিষ্টি খেয়ে আবার বেরিয়ে পড়লাম। শহরের গলিপথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে গেলাম সায়ের খালের নিকট। প্রচণ্ড রোদ মাথায় নিয়ে আমতলী হয়ে হাইওয়ের পথ ধরে হাঁটা শুরু করলাম। তখন রোদে রীতিমতো চোখে সরষে ফুল দেখছি। মিল বাজার পার হওয়ার পরে রাস্তার বিপরীত পাশ থেকে একজন বেকারির বিস্কুট ডেলিভারি ম্যান চিৎকার করে আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, কোথায় যাবো? আমিও কিছুটা চিৎকার করে উত্তর দিচ্ছিলাম; স্বেচ্ছায় রাস্তার বিপরীত পাশে গিয়ে তার সাথে গল্প শুরু করলাম। আমার অভিযানের আদ্যোপান্ত তাকে বললাম। তিনি নিজেও ভ্রমণ পছন্দ করেন বলে জানালেন এবং প্রতি বছর পরিবার নিয়ে ভ্রমণে বের হন। কিছুটা সামনেই তার বাড়ি। রাতটা সেখানেই কাটাতে বললেন। আমি বললাম, পরে কখনো এলে থেকে যাবো। অনেকটা পথ পাড়ি দিতে হবে আমাকে।

মজার বিষয় হলো, রাতে কোথায় থাকবো সেটার এখন পর্যন্ত কোনো পরিকল্পনা নেই আমার। কিছুক্ষণ পরে তাকে বিদায় জানালাম। তখন ইতোমধ্যেই আকাশে মেঘের ঘনঘটা। কালো মেঘে ছেয়ে গেছে আকাশ। তার থেকেও বড় বিপদ রাস্তার দুধারে দাড়ানোর মতো কোনো ছাউনি নেই। এ যেন পিচঢালা মরুপথ। শুরু হলো ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। কিছুটা দূরে ফিলিং স্টেশন চোখে পড়ছিলো। এদিকে ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। উপায় না পেয়ে দৌড়াতে শুরু করলাম। আমার ব্যাকপ্যাকের বেল্টগুলো কোমর ও বুকের সাথে লাগানো ছিল না। ফলে যা হওয়ার তা-ই হলো, কয়েক কেজি ওজনের ব্যাকপ্যাক বার বার কোমরে ধাক্কা দিয়ে চলেছে। তার মধ্যে আমি কাকভেজা হয়ে ফিলিং স্টেশনে পৌঁছাই। বুঝতে বাকি রইলো না, আমার পায়ের সঙ্গে অন্যায় করে ফেলেছি। বামপায়ে টান লেগেছে। ১০ মিনিটের মধ্যেই বৃষ্টি উধাও হয়ে গেল। আবারো পথ এগোতে শুরু করলাম। কিন্তু আমার বামপায়ে টান লাগা ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। প্রথমদিনেই এমন বিপদে পড়বো বুঝতে পারিনি। অন্যদিকে গতরাতে ঘুমাইনি।

তার সঙ্গে হঠাৎ বৃষ্টি আবার হঠাৎ তীব্র রোদ। এ যেন প্রকৃতির লীলাখেলা। ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে দেখা পেলাম বেতনা নদীর। অভিযানে দেখা প্রথম নদী। বেতনাকে বিদায় দিয়ে প্রবেশ করলাম তালা উপজেলায়। ত্রিশ মাইল বাজার পেরিয়ে পৌঁছে গেলাম পাটকেলঘাটায়। আগে থেকেই জানতাম এ বাজারে বিখ্যাত চুইঝালের গরুর মাংস বেশ জনপ্রিয়।

গ্রামের বাজারটি বেশ ছোট। বাজারে পৌঁছে হুজুরের হোটেল খোঁজ করতে শুরু করলাম এ দোকান থেকে সে দোকান। খুঁজতে খুঁজতে পেয়েও গেলাম। কপোতাক্ষ নদের পাড়ে খুব সাধারণ একটা হোটেল। তবে ভিড় অনেক বেশি। নামিদামি অনেক হোটেলকেও যেন হার মানাবে। হাইকিং চলাকালীন সাধারণত আমি দুপুরে কখনো ভাত খাই না। ভাত খাই শুধু রাতে। তবে চুইঝাল দিয়ে গরুর মাংস খাবার লোভে সেদিন নিজের কমান্ড নিজেই ভেঙেছিলাম। ভাতের সঙ্গে চুইঝাল দিয়ে রান্না করা গরুর মাংস। স্বাদে যেন অনন্য। কিন্তু প্রচণ্ড ঝাল। রীতিমতো আমার ঠোঁট জ্বালাপোড়া করছিলো। তাতে কী! এমন তৃপ্তিকর খাবার খুব কম জায়গাতেই মেলে। খাওয়া শেষে কপোতাক্ষের ব্রিজে ওপর উঠে একটি থেমে থাকা অটো গাড়িতে বসলাম কিছুক্ষণ। বিশ্রামের সঙ্গে দুচোখ ভরে দেখছিলাম কপোতাক্ষের অপরূপ দৃশ্য। আগে সরাসরি দেখা হয়নি। মনে পড়ে গেল মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি কপোতাক্ষ নদ কবিতার তিনটি লাইন–‘বহু দেশ দেখিয়াছি বহু নদ দলে/ কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মেটে কার জলে/ দুগ্ধস্রোতরূপি তুমি মাতৃভূমি স্তনে।’

toni

কপোতাক্ষকে বিদায় জানিয়ে শুরু করি পথচলা। সূর্য তখন মধ্য গগনে। এইদিকে পায়ের টান লাগা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। ক্লান্ত পথিকের বেশে এগিয়ে চলেছি অজানার উদ্দেশ্যে। মাঝে কিছু মানুষের সঙ্গে আলাপচারিতা হয়েছে। একজন বৃদ্ধ লোক রাস্তার পাশে বসে কমলা আর বাতাবি লেবু বিক্রি করছিলেন। দুটো কমলা কেনার পরে ফ্রিতে বাতাবি লেবুর কিছুটা অংশ দিলেন খাওয়ার জন্য। এমন টুকরো টুকরো ভালোবাসা এর আগেও পথে পেয়েছি। এটা সত্যিই এক পরম পাওয়া। বিশ্রামের জন্য কখনো পথের ধারে গাছের নিচে বসে পড়ি, আবার কখনো টং দোকানে।

২০২১ সালে ময়মনসিংহ বিভাগে গিয়েছিলাম হাইকিংয়ে। শেষটা ছিল শেরপুরের নাকুঁ গাঁও স্থলবন্দরে। প্রচণ্ড রোদে হাইওয়ে রাস্তা ধরে হাঁটতে হাঁটতে একটি টং দোকানে খাওয়ার পরে দোকানে বসে থাকা লোকগুলো গল্প বন্ধ করে দিয়ে আমাকে দেখছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সাহস নিয়ে একজন কথা বলেন। এরপর আমার অভিযান সম্পর্কে জানানোর পরে আমাকে বেশ সম্মান জানিয়েছিলেন সবাই। রফিকুল ইসলাম নামে একজন বলেছিলেন, ‘আপনাদের মতো মানুষরাই দেশের শিল্প-সংস্কৃতি-ইতিহাস আর ঐত্যিকে বাঁচিয়ে রাখেন এবং সেগুলোর চর্চা করেন।’ পাথর ভাঙা একজন শ্রমিকের এমন মন্তব্য সত্যিই বেশ আনন্দ দিয়েছিলো সেদিন।

এদিকে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতে চললো। সেপ্টেম্বরে আকাশ থাকে চমৎকার। বিকেল ৪টার পরে উজ্জ্বল আকাশ আর পিচঢালা পথের দুপাশে সারি সারি মাছের ঘের। এমন দৃশ্য মনকে নতুনভাবে ভাবতে ও পথ চলতে সাহায্য করে। রাস্তার পাশ দিয়ে আবার পাটকাঠির সারি। এ অপরূপ দৃশ্য কল্পনার চেয়ে বাস্তবে বোধ হয় আরও বেশি সুন্দর।

বিকেল সাড়ে পাঁচটার পর একটানা হাঁটা শুরু করলাম। কারণ রাতে থাকার জন্য বেছে নিয়েছি চুকনগরকে। নামকরা বাজার হওয়ায় ধারণা করে নিলাম সেখানে থাকার একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে। সন্ধ্যা হয়ে আসছে। এদিকে পথ আরও ৩ কিলোমিটার বাকি চুকনগরে পৌঁছাতে। ছোট্ট একটা বাজার পেয়ে একটি দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, চুকনগর সম্পর্কে এবং নিজের পরিচয় ও অভিযান সম্পর্কে জানাতেই স্থানীয়দের কাছে ৫ নং আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ফোন নম্বর পেয়ে গেলাম। পথ চলতে চলতে তাকে ফোনে জানালাম, আজকের রাতটা ইউনিয়ন পরিষদে কাটাতে চাই।বিস্তারিত সব জেনে তিনি সম্মতি দিলেন।

toni

সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় এসে পৌঁছালাম গন্তব্যে। সেখানে ২ জন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বললাম। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পরে নিশ্চিত হলাম সেখানে রাত্রিযাপন করার সুযোগ হবে। প্রচণ্ড ক্লান্ত, পরিশ্রান্ত শরীর যেন বিছানায় লুটিয়ে পড়তে চাইছিলো। ইউনিয়ন পরিষদের বাইরে রাস্তার পাশে গোসল করে চলে গেলাম রাতের খাবার খেতে বিখ্যাত আব্বাসের হোটেলে। সেখানকার চুইঝালের খাসির মাংস বেশ বিখ্যাত। বেশ তৃপ্তি নিয়ে রাতের ভোজন শেষ করে কিছুক্ষণ বাজারে ঘোরাঘুরি করে ইউনিয়ন পরিষদে ফিরে এসে ঘুমের প্রস্তুতি নিলাম। দিনশেষে হাঁটার পরিমাণ ছিল ৪৭.৩৯ কিলোমিটার। মেঝেতে চাদর বিছিয়ে মাথার নিচে ব্যাকপ্যাক দিয়ে ঘুমের রাজ্যে পাড়ি জমালাম।

চলবে…

এসইউ