২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে মরক্কো। নতুন কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবির ঘোষিত দলে প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়েছেন লিলের তরুণ মিডফিল্ডার আয়্যুব বুয়াদ্দি। তবে দলে জায়গা হয়নি দলের অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড ইউসুফ এন-নেসিরি ও তারকা প্লেমেকার হাকিম জিয়েচের।
সম্প্রতি ফরাসি অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলা বুয়াদ্দি জাতীয়তা পরিবর্তনের অনুমোদন পাওয়ার পর মরক্কো দলে ডাক পেয়েছেন। উত্তর ফ্রান্সে বেড়ে ওঠা এই মিডফিল্ডার লিল একাডেমি থেকে উঠে এসেছেন এবং চলতি মৌসুমে লিগ ওয়ানে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে সেমিফাইনালে ওঠা মরক্কো দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় এবার বাদ পড়েছেন। যদিও ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি দলে থাকায় স্বস্তি পেয়েছেন সমর্থকরা। ইনজুরি শঙ্কা কাটিয়ে গোলরক্ষক মুনির এল কাজৌইও জায়গা ধরে রেখেছেন।
এন-নেসিরি কাতার বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করে আলোচনায় এসেছিলেন। তবে নতুন কোচ ওয়াহবির অধীনে তিনি জায়গা হারিয়েছেন। একইভাবে বাদ পড়েছেন সফিয়ান বৌফাল, জাওয়াদ এল ইয়ামিক ও আশরাফ দারির মতো অভিজ্ঞ ফুটবলাররাও।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ থেকেও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় সুযোগ পেয়েছেন মরক্কো দলে। তাদের মধ্যে রয়েছেন নুসাইর মাজরাউই, চাদি রিয়াদ ও চেমসদিন তালবি। এছাড়া প্রথমবারের মতো দলে ডাক পেয়েছেন আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের স্ট্রাইকার আয়্যুব আমাইমৌনি।
গত মার্চে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের পর ওয়ালিদ রেগরাগুইয়ের স্থলাভিষিক্ত হন মোহাম্মদ ওয়াহবি। তার অধীনেই এবার বিশ্বকাপ মিশনে নামছে আটলাস লায়ন্সরা।
আগামী ১৩ জুন ইস্ট রাদারফোর্ডে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে মরক্কো। এরপর ১৯ জুন ফক্সবরোতে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে তারা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ২৪ জুন আটলান্টায় হাইতির বিপক্ষে খেলবে উত্তর আফ্রিকার দলটি।
মরক্কোর বিশ্বকাপ দল
গোলরক্ষক: ইয়াসিন বুনু, মুনির এল কাজৌই, আহমেদ রেদা তাগনাউতি।
ডিফেন্ডার: নাইয়েফ আগুয়ের্দ, ইউসুফ বেলাম্মারি, ইসা দিয়প, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, আশরাফ হাকিমি, রেদুয়ান হালহাল, নুসাইর মাজরাউই, চাদি রিয়াদ, আনাস সালাহ-এদ্দিন।
মিডফিল্ডার: সোফিয়ান আমরাবাত, আয়্যুব বুয়াদ্দি, নিল এল আইনাউই, বিলাল এল খান্নুস, সামির এল মুরাবেত, আজ্জেদিন ওউনাহি, ইসমাইল সাইবারি।
ফরোয়ার্ড: আয়্যুব আমাইমৌনি, ব্রাহিম দিয়াজ, আয়্যুব এল কাবি, আবদে এজ্জালজৌলি, ইয়াসিন গেসিমে, সুফিয়ান রহিমি, চেমসদিন তালবি।
এমএমআর

