Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

ঘৃণার রাজনীতি প্রত্যাখ্যানের আহ্বান আনোয়ার ইব্রাহিমের

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম দেশকে শান্তিপূর্ণ, উন্নত ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে রাখতে ঘৃণা ও বিভেদের রাজনীতি প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এখনই সময় শান্তি...
Homeমালয়েশিয়ায় মানবপাচার, দুই বাংলাদেশিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

মালয়েশিয়ায় মানবপাচার, দুই বাংলাদেশিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

মালয়েশিয়ায় মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানবিরোধী কঠোর আইনের আওতায় ‘শফিক গ্যাং’-এর দুই বাংলাদেশি সদস্যসহ মোট পাঁচ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২২ মে) দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান জানান, অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজন ইন্দোনেশিয়ার এবং দুজন বাংলাদেশের নাগরিক। গত ৭ মে সেলাঙ্গর রাজ্যের রাওয়াং, পেতালিং জায়া এবং নেগেরি সেম্বিলানের সেরেম্বান এলাকায় পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় আদালত আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে মামলাগুলো উচ্চ আদালতে স্থানান্তর করা হয়েছে।

তদন্তে জানা গেছে, গ্রেফতার দুই বাংলাদেশি কুখ্যাত ‘শফিক গ্যাং’-এর অন্যতম সমন্বয়কারী এবং ট্রানজিট হোমে প্রহরী হিসেবে কাজ করতেন। পেতালিং জায়ার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এই চক্রের কবল থেকে নয় বাংলাদেশি অবৈধ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, অভিবাসীদের প্রথমে একটি প্রতিবেশী দেশে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে কেলান্তান সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করানো হয়। এরপর তাদের ক্ল্যাং ভ্যালি ও অন্যান্য গন্তব্যে পাঠানোর উদ্দেশ্যে ওই ট্রানজিট হোমে রাখা হয়েছিল।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিবাসী চোরাচালান চক্রের পরিবহনকারী এবং ট্রানজিট হোমের রক্ষক হিসেবে ভূমিকা রাখার অভিযোগে কঠোর ধারায় মামলা করা হয়েছে। মালয়েশিয়ার আইন অনুযায়ী ট্রানজিট হোমে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় দেওয়ার অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

এছাড়া, পরিবহনকারী হিসেবে জড়িত থাকার অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা আড়াই লাখ রিঙ্গিত পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জোর দিয়ে বলেন, মানবপাচার ও অবৈধ অভিবাসী চোরাচালানের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনো পক্ষের সঙ্গেই মালয়েশিয়া সরকার আপস করবে না।

একিউএফ/এএসএম