ঈদযাত্রার শেষ মুহূর্তে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। এতে করে উত্তরের পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমনা সেতু মহাসড়কে থেমে থেকে যানজট তৈরি হয়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক হয় যানচলাচল।
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলের পর থেকেই মহাসড়কে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক হয়। মহাসড়কে যানজট না থাকলেও যানবাহনের চাপ রয়েছে।
পুলিশ ও যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, ঝড়বৃষ্টির কারণে রাত থেকেই গাড়ির দীর্ঘ সারি ছিল। সেই দীর্ঘ সারির মধ্যেই যমুনা সেতুর ওপর একাধিক গাড়ি বিকল ও সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। ফলে মহাসড়কে ধীরগতিতে চলে গাড়ি।
সরেজমিন মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা যায়, অনেকেই গণপরিবহন না পেয়ে ট্রাক-পিকআপে করে বাড়িতে যাচ্ছেন। তবে বৃষ্টিতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

পুলিশ জানায়, গাজীপুরের চন্দ্রায় যানবাহনের চাপ বাড়ছে। রাতভর এর প্রভাব পড়তে পারে যমুনা সেতু এলাকায়।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, বর্তমানে যানজট না থাকলেও টোল প্লাজায় যানবাহনের চাপ রয়েছে। সেতুর দুই প্রান্তেই ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য দুটি বুথ করা হয়েছে।
মহাসড়কে পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান।
আব্দুল্লাহ আল নোমান/এসআর/এমএস

