পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিজেপির জয়ের পরেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জেলায় হোল্ডিং সেন্টার খোলার নির্দেশিকা জারি করা হয়। এরপরেই রাজ্যে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ১২ জনকে আটক করেছে রাজ্য পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন নারী, তিনজন পুরুষ ও ছয়জন শিশু রয়েছে।
তাদের বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেফতার করে হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে মালদহ ইংলিশ বাজার থানার বাগবাড়ি এলাকায় নয়জন ও মুর্শিদাবাদ জেলায় তিনজনকে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ ৩০ দিন হোল্ডিং সেন্টারে রেখে পরিচয়পত্র ও নাগরিকত্ব যাচাই করা হবে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর অনুপ্রবেশকারী হিসেবে প্রমাণিত হলে তাদের ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে তুলে দেওয়া হবে। এরপরই বিএসএফের মাধ্যমে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।
রাজ্য পুলিশ জানিয়েছে, নয় অভিযুক্তকে গাজোল পুলিশ পাণ্ডুয়া এলাকা থেকে আটক করে। আর বাকি তিনজনকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই তিনজনের নাম শফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ সেলিম এবং রুবেল। ভারতে থাকার জন্য তাদের কাছে কোনো বৈধ নথিপত্র পাওয়া যায়নি।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে বলেছিলেন, আগের সরকার কেন্দ্রের নির্দেশ পালন করেনি। তার সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে এ সংক্রান্ত আইন কার্যকর হয়েছে। সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের অন্তর্ভুক্ত নন যারা, এবার তাদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হবে। সরাসরি তুলে দেওয়া হবে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর হাতে। বিএসএফ তাদের সংশ্লিষ্ট দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ করবে।
ডিডি/কেএএ/

