Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img
Homeসুজন সখী ১৭ বার দেখেছি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সুজন সখী ১৭ বার দেখেছি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

দেশের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতির প্রতি নিজের গভীর ভালোবাসার কথা তুলে ধরেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, সুজন সখী সিনেমা ১৭ বার দেখেছি। ছোটবেলায় মানুষের হাসি দেখার জন্যও সিনেমা হলে যেতাম। এখনো সেই ধরনের চলচ্চিত্র আমার ভালো লাগে। যাত্রাগানের নিয়মিত দর্শক ছিলাম।

মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল ব্র্যান্ডস-ট্রাব বিজনেস সিএসআর অ্যান্ড কালচারাল অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’ প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব)।

দেশের সংস্কৃতি ও কৃষ্টি ধ্বংসে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে যতই ষড়যন্ত্র হোক না কেন আমরা আমাদের স্বকীয়তা ধরে রাখতে পারবো মন্তব্য করে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের (সংস্কৃতিকর্মী ও চলচ্চিত্র অভিনেতা) এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে এ ধারা হারিয়ে যাবে না। এটি আমাদের নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাবে। এবং যত চেষ্টাই ভেতর বা বাহির থেকে হোক না কেন আমরা আমাদের স্বকীয়তা ধরে রাখতে পারবো।’

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আমাদের সাংস্কৃতিক যে ধারাবাহিকতা—এটাই বাংলাদেশের সংস্কৃতি, আমাদের ঐতিহ্য। অসাম্প্রদায়িক সহাবস্থান, সাম্প্রদায়িক ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ বাংলাদেশ। তিনি বলেন, সংস্কৃতি এমন এক বিষয়, যার আবেদন কখনো ফুরিয়ে যায় না। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যে গানগুলো মানুষের মনে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে, আজও সেগুলোর আবেদন অটুট রয়েছে। এত বছর পরেও সেই শক্তি, সেই আবেগ একটুও কমে যায়নি—এটা সত্যিই বিস্ময়কর। অনেক কিছুই সময়ের সাথে হারিয়ে যায়, আমরা ভুলে যাই; কিন্তু কিছু কিছু সৃষ্টি শাশ্বত হয়ে থাকে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের শাশ্বত সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধারণকারী শিল্পীরা আজও নতুন প্রজন্ম—জেনারেশন জেডের কাছেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। সিনেমা, গান ও সুরের মাধ্যমে তারা এখনো সমাজকে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে নানা ঝড়-ঝঞ্ঝার মধ্যেও দেশ পথ হারাবে না।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, রিহ্যাবের সভাপতি ড. আলী আফজাল, নতুনধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. সাদী-উজ-জামান এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন ট্রাব সভাপতি সালাম মাহমুদ, সহ-সভাপতি সুজন দে, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ রহমান এবং উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সার্ক চলচ্চিত্র সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি রেদুয়ান খন্দকার। এতে কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন উপস্থিত ছিলেন।

ইএইচটি/এমএএইচ/