Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img
Homeহৃদয়ের সেঞ্চুরি, বিজয়-আফিফের ফিফটিতে রানপাহাড় মোহামেডানের

হৃদয়ের সেঞ্চুরি, বিজয়-আফিফের ফিফটিতে রানপাহাড় মোহামেডানের

এবারের লিগে বেশ ভালো সময় কাটছে। আজকের আগে (৩৪, ৮২, ৩৫, ব্যাট করেননি, ১৮, ৭১, ৮৬) লিগে ৩টি হাফসেঞ্চুরিসহ করেছিলেন ৩২৬ রান। এর মধ্যে শেষ ২ ম্যাচে ৭১ ও ৮৬ রানের দুটি বড় ইনিংস খেলে দলের জয়রথ সচল রাখতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন তাওহিদ হৃদয়।

আজ মঙ্গলবার শেরে বাংলায় লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের সাথে অষ্টম ম্যাচে লিগে নিজেকেই যেন ছাড়িয়ে গেলেন হৃদয়। দারুণ এক সেঞ্চুরিতে (১০৫ বলে ১০১) গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মোহামেডানকে রান পাহাড় গড়তে দারুণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি।

অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসা ওই সেঞ্চুরির সঙ্গে এনামুল হক বিজয় ও আফিফ হোসেন ধ্রুব’র জোড়া হাফসেঞ্চুরি যুক্ত হলে মঙ্গলবার শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শেখ মেহেদীর লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বিপক্ষে ৩৩৯ রানের পাহাড়সম স্কোর গড়েছে মোহামেডান।

শেষ পর্যন্ত লিগে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেলেও হৃদয় ফিরতে পারতেন ৫৫ রানেই। অফ স্টাম্পের বাইরে ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন হৃদয়।

বল ফার্স্ট বাউন্সে কিপার ইরফান শুক্কুরের গ্লাভসে নিয়ে ক্যাচ বিহাইন্ডের আবেদন করলে আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল টিভি আম্পায়ারের স্মরণাপন্ন হয়ে রিপ্লে দেখেন। পরে টিভি রিপ্লেতে ধরা পড়ে, বল ঠিক গ্লাভসে নেওয়ার আগে মাটিতে ড্রপ হয়েছে। 

হৃদয় যখন ৫৫ রানে বেঁচে যান, তখন মোহামেডানের রান ছিল ২২৫। শেষ পর্যন্ত হৃদয় ১০৬ বলে ১০১ রানে আউট হন হাসান মাহমুদের বলে। ৪ ছক্কা ও ৬ বাউন্ডারিতে সাজানো ওই শতরানের ইনিংসটি শেষ হয় মোহামেডান ইনিংসের ৫০তম ওভারে। ততক্ষণে মোহামেডানের রান সোয়া তিনশো পেরিয়ে (৩৩০) গেছে।

শিরোপা স্বপ্ন জিইয়ে রাখতে লিগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মোহামেডানের বড় পুঁজিতে আরও অবদান রেখেছেন ওপেনার এনামুল হক বিজয়, আফিফ হোসেন ধ্রুব, সাইফউদ্দিন আর ইয়াসির আলী রাব্বি। সমান ৫টি করে বাউন্ডারি ও ছক্কা হাঁকিয়ে ৬৩ বলে ৭১ রানের দারুণ আক্রমণাত্মক ইনিংস উপহার দেন বিজয়। তার সঙ্গী নাইম শেখ লম্বা ইনিংস খেলতে না পারলেও প্রথম উইকেটে মোহামেডানকে শক্ত ভিত গড়ে দিতে ভূমিকা ছিল।

বিজয় আর নাইম (৩৮ বলে ৩৪) প্রথম ১১.৪ ওভারে ৭৬ রানের জুটি গড়েন। এরপর বিজয় আউট হলে মোহামেডান ইনিংসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন অধিনায়ক হৃদয় আর আফিফ। তৃতীয় উইকেটে তারা দুজন ১৪০ রান যোগ করেন মাত্র ২১.৩ ওভারে। ১০০ স্ট্রাইক রেটে সমান ৩টি করে ছক্কা ও বাউন্ডারি হাঁকিয়ে বল সমান ৭০ রানের কার্যকর ইনিংস খেলে বিদায় নেন আফিফ।

এরপর অধিনায়ক হৃদয় একদিক আগলে রাখার পাশাপাশি রানচাকা সচল রাখেন। সঙ্গে হাত খুলে খেলে দলকে ৩৩০’র ঘরে নিয়ে যান ইয়াসির আলী রাব্বি। ৩ ছক্কা ও ১ বাউন্ডারিতে ২৩৫.৭১ স্ট্রাইক রেটে ১৪ বলে ৩৩ রানের হার না মানা ইনিংস উপহার দেন ইয়াসির রাব্বি।

লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের বোলারদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম বেশ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। এ বাঁহাতি পেসার ১০ ওভারে ৫০ রানে পান ১ উইকেট। হৃদয়, বিজয়, আফিফ ও ইয়াসির রাব্বির সাবলীল-আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ের বিপক্ষে শরিফুল একপ্রান্তে মাপা বোলিং না করলে মোহামেডানের স্কোর সাড়ে তিনশো পেরিয়ে যেতো।

সে তুলনায় অপর পেসার হাসান মাহমুদ (১০ ওভারে ১/৯০) আর অফস্পিনার শেখ মেহেদী (১০ ওভারে ২/৭৩) খরুচে ছিলেন। এ ছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজও ৮ ওভারে ৪০ রান দিয়ে পেয়েছেন ১ উইকেট।

রূপগঞ্জের দুই বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ (৮ ওভারে ০/৫৭) আর সামিউন বশির রাতুল (৪ ওভারে ০/২৮) মোটেই সুবিধা করতে পারেননি।

এআরবি/এমএমআর