আইপিএল শেষ হওয়ার আগেই প্রথম কোপ পড়লো অধিনায়কের ওপর! নেতৃত্ব থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য হলেন ভারতীয় দলের তারকা ব্যাটার রিশাভ পান্ত। শুক্রবার লখনৌয়ের ক্রিকেট ডিরেক্টর টম মুডি এ কথা ঘোষণা করেন। এবার সবার শেষে, ১০ নম্বরে থেকে আইপিএল শেষ করেছে লখনৌ।
আইপিএলের মহানিলামে ২৭ কোটি রুপিতে দিয়ে রিশাভ পান্তকে কেনার পরও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি লখনৌ। দু’বারই প্লে-অফে উঠতে পারেনি তারা। এবার শেষ করতে হয়েছে একেবারে তলানীতে থেকে। আইপিএল শেষ হওয়ার আগেই নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে হলো অধিনায়ককে।
লখনৌ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পান্ত নিজেই অনুরোধ করেছিলেন যাতে তাকে নেতৃত্বের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। দল তার সেই অনুরোধ মেনে নিয়েছে।
মুডি বলেছেন, ‘রিশাভ পান্ত দলকে একটা অনুরোধ করেছিল। আমরা সম্মানের সঙ্গে তা গ্রহণ করেছি। এ ধরনের সিদ্ধান্ত মোটেই সহজ নয়। অধিনায়ক হিসাবে রিশাভ সাজঘরে যে পরিবেশ তৈরি করেছিল তাতে আমরা কৃতজ্ঞ। আপাতত সেরাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দলকে নতুনভাবে তৈরি করা এবং পুনর্গঠন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’
দিল্লি ক্যাপিটালসকে সফলভাবে নেতৃত্ব দিতে পারলেও লখনউয়ের ক্ষেত্রে সে কাজে পুরোপুরি ব্যর্থ পান্ত। গতবার ১৪ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ৬টি জিতেছিল লখনৌ। এবার জিতেছে মাত্র ৪টিতে। অর্থাৎ অধিনায়ক হিসাবে ২৮ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ১০টিতে জিতেছেন পান্ত। কোনও বারই তার দল প্লে-অফে ওঠেনি।
ব্যাটিংয়েও যে পান্ত ভাল খেলেছেন এমন বলা যাবে না। গতবার ১৪ ম্যাচে মাত্র ২৬৯ রান করেছিলেন। এবার ৩১২ রান করেছেন। নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পান্ত এমন কিছু করে দেখাতে পারেননি, যাতে তাকে রেখে দেওয়া যেত ব্যর্থতার পরও। লখনৌয়ের মালিক সঞ্জিব গোয়েন্কা প্রচুর অর্থ খরচ করে কিনেছিলেন পান্তকে। কিন্তু প্রত্যাশার দাম দিতে পারেননি দিল্লির এই ক্রিকেটার।
পান্তের এই সিদ্ধান্তে তার জাতীয় দলের ক্যারিয়ারও প্রশ্নের মুখে পড়ে গেল। এমনিতেই টেস্ট দল ছাড়া বাকি দুই দলে সুযোগ পাননি। তার খারাপ ফর্ম চলতে থাকলে প্রভাব পড়বে টেস্টের নির্বাচন নিয়েও।
আইএইচএস/

