Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

অবশেষে মেসিকে নিয়ে স্বস্তির খবর

ফিফা বিশ্বকাপের আগে ইন্টার মিয়ামির শেষ ম্যাচে ৭৩ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন লিওনেল মেসি। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ১০ গোলের ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করলেও শেষ...
Homeঈদযাত্রায় দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে ১৩ কিলোমিটার অসমাপ্ত প্রকল্প

ঈদযাত্রায় দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে ১৩ কিলোমিটার অসমাপ্ত প্রকল্প

প্রকল্পের অগ্রগতি ৫০ শতাংশ
কমে গেছে মহাসড়কের প্রশস্ততা
ঈদযাত্রায় চার লেন উন্মুক্ত রাখার আশ্বাস

আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ বাড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৩ কিলোমিটার মহাসড়কের চার লেন উন্নয়নকাজ এখনও শেষ হয়নি। কয়েক দফা সময় বাড়িয়েও প্রকল্পের অগ্রগতি মাত্র ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে।

ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে কাজের এই ধীরগতি বলে অভিযোগ পরিবহন চালক ও যাত্রীদের। তবে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে।

জানা যায়, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের জয়দেবপুর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত রাস্তার চার লেনের কাজ শেষ হওয়ায় এই অংশ নির্বিঘ্নেই যাতায়াত করতে পারছেন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের ২৪টি জেলার যাত্রীরা। কিন্তু এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত সড়কের চারলেন প্রকল্পের কাজ এখনো শেষ হয়নি। এলেঙ্গাতে মহাসড়কের এ অংশে ফ্লাইওভারের কাজ চলমান থাকায় সংকুচিত হয়ে পড়ে মহাসড়কের এ অংশের প্রশস্ততা। ফলে প্রতিনিয়তই লেগে যাচ্ছে গাড়ির জট।

ঈদযাত্রায় দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে ১৩ কিলোমিটার অসমাপ্ত প্রকল্প

আরও পড়ুন-
কুমিল্লায় চালু হচ্ছে শতকোটি টাকার সেই বিশ্রামাগার
মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কুমিল্লায় ৪ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
শেষ মুহূর্তে ফাঁকা ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক

যা আছে প্রকল্পে

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাসেক-২ প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে টেন্ডারের মাধ্যমে এ মহাসড়ক উন্নীতকরণের কাজ পায় আব্দুল মোনায়েম লিমিটেড। ২০২২ সালের মার্চ মাসে কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলে পুনরায় তা বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়।

‘রাস্তার কাজ কবে শেষ হবে তা বোঝা যাচ্ছে না। গত কয়েক বছর ধরেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। কাজের তদারকি দরকার। যথাযথ তদারকি হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে।’

প্রকল্প সূত্র জানায়, প্রকল্পে মোট ৮টি ব্রিজ, ১০টি কালভার্ট, ৩টি আন্ডারপাস ও একটি ফ্লাইওভার রয়েছে। ব্রিজ ও কালভার্টের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আন্ডারপাসের পাইলিং শেষ হয়েছে। ফ্লাইওভারে পাইলিংও শেষের দিকে।

ঈদযাত্রায় দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে ১৩ কিলোমিটার অসমাপ্ত প্রকল্প

কাজের বর্তমান অবস্থা

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে সেতু পর্যন্ত চারলেনের কাজ চলছে। বিশেষ করে এলেঙ্গায় ফ্লাইওভারের কাজ চলছে। এছাড়া বিভিন্নস্থানে আন্ডারপাসের কাজ চলছে। আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে দ্রুত গতিতে কাজ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন-
ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে কাজ চলমান, ঈদযাত্রায় যানজটের শঙ্কা
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ভোগের ঈদযাত্রা

এলেঙ্গায় ফ্লাইওভারের কাজের শ্রমিকরা জাগো নিউজকে বলেন, সকাল থেকেই দ্রুত গতিতে কাজ করছি। বর্তমানে আমাদের দ্রুত কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

‘সকাল থেকেই দ্রুত গতিতে কাজ করছি। বর্তমানে আমাদের দ্রুত কাজ করার নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে।’

যাত্রীদের দুর্ভোগ

বগুড়ার বাসযাত্রী মো. ছানোয়ার জাগো নিউজকে বলেন, বিগত কয়েক বছর ধরেই এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত কাজ চলছে। কাজ শেষ না হওয়ায় আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এক কথায় ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে কাজের ধীরগতি। ঠিকাদার সঠিকভাবে কাজ করছে না।

ঈদযাত্রায় দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে ১৩ কিলোমিটার অসমাপ্ত প্রকল্প

যাত্রী হাফিজুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, রাস্তার কাজ কবে শেষ হবে তা বোঝা যাচ্ছে না। গত কয়েক বছর ধরেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। কাজের তদারকি দরকার। যথাযথ তদারকি হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে।

‘এরই মধ্যে ৫০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তবে আসন্ন ঈদযাত্রায় মহাসড়কের দুই পাশেই চার লেন যানবাহন চলাচলের জন্য উম্মুক্ত রাখা হয়েছে।’

কর্তৃপক্ষ যা বলছে

এ ব্যাপারে আবদুল মোনায়েম লিমিটেডের প্রজেক্ট ম্যানেজার রবিউল আওয়াল জাগো নিউজকে বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১ বছর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। এরই মধ্যে ৫০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। তবে আসন্ন ঈদযাত্রায় মহাসড়কের দুই পাশেই চার লেন যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন-
চার লেনে উন্নীত হচ্ছে বগুড়া-নওগাঁ-জয়পুরহাট রুটের তিন মহাসড়ক
৪৯৬ কিমি মহাসড়ক ৬ লেন ও ১০২ কিমি ৮ লেনে উন্নীত হবে

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ায় ঠিকাদারের গাফিলতি রয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। বিগত দুই তিন মাস ধরে কাজের গতি বেড়েছে। আশা করছি ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ করতে পারবো।

এফএ/এমএস