Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

অবশেষে মেসিকে নিয়ে স্বস্তির খবর

ফিফা বিশ্বকাপের আগে ইন্টার মিয়ামির শেষ ম্যাচে ৭৩ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন লিওনেল মেসি। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ১০ গোলের ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করলেও শেষ...
Homeকুয়েতকে ২৪০ টন খাদ্য সহায়তা দিলো বাংলাদেশ

কুয়েতকে ২৪০ টন খাদ্য সহায়তা দিলো বাংলাদেশ

 

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিলো বাংলাদেশ। সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে কুয়েতের কাছে ২৪০ টন খাদ্যসামগ্রী হস্তান্তর করেছে ঢাকা।

রোববার (২৪ মে) কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খাদ্যসামগ্রীর প্রতীকী হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ জাররাহ জাবের আল-আহমাদ আল-সাবাহর কাছে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এই সহায়তা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ থেকে মোট ২৪০ টন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী একাধিক ফ্লাইটে ২৫ মে থেকে কুয়েতে পাঠানো হবে। আঞ্চলিক সংকট, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীতে চলমান চাপের কারণে সৃষ্ট সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় এই সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে কুয়েতের আমির শেখ মেশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহর উদ্দেশে একটি বার্তাও হস্তান্তর করা হয়। এতে কুয়েতের জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণ কামনা করা হয় এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর। কুয়েতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেনও বিভিন্ন সরকারি বৈঠক ও কর্মসূচিতে অংশ নেন।

দুই পক্ষের আলোচনায় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জনশক্তি, খাদ্য নিরাপত্তা ও বিমান চলাচলসহ পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন খাত নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় দেশই দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে একমত হয়।

বাংলাদেশ সরকারের এই উদ্যোগকে কূটনৈতিক ও মানবিক সহায়তার গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সংকটের সময়ে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর পাশে থাকার নীতিকে আরও স্পষ্ট করে।

জেপিআই