Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

কাদাপানিতে মাখামাখি হাট, দরদামে মিলছে না ক্রেতা-বিক্রেতার

ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র একদিন। রাজধানীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কাদাপানিতে মাখামাখি হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে...
Homeজোট করতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পা ধরতে বাকি রেখেছিল: রাশেদ খাঁন

জোট করতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পা ধরতে বাকি রেখেছিল: রাশেদ খাঁন

জোট করার জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খাঁনের পা ধরতে বাকি রেখেছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৬) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

বর্তমানে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রাশেদ খাঁন বলেন, ‘এনসিপির সঙ্গে জোট করার জন্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আমার পা ধরতে বাকি রেখেছিল। এনসিপি, এবি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতেই সে এমন করেছিল!’

রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, এনসিপির মুখ্য সংগঠক আজ সংবাদ সম্মেলনে তাকে নিয়ে বাজে কথা বলেছেন।

জোট করতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পা ধরতে বাকি রেখেছিল: রাশেদ খাঁন

সেই সঙ্গে তিনি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সম্পর্কে আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে এমন কোনো কথা নাই যে বলে নাই। পরবর্তীতে জামায়াতের কাছে এনসিপি ১০০ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে। আমি জানতাম আদর্শচ্যুত বাম-শিবির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জামায়াতের কাছেই বিক্রি হবে, এজন্য আমি তাদের ফাঁদে পা দিইনি।’

গণঅধিকার পরিষদ ২০২২ সাল থেকে বিএনপির সঙ্গে জোটে ছিল জানিয়ে দলটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমি এমন কোনো দলে যাইনি, যে দল জামায়াতের মতো স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানচিত্রের জন্য হুমকি। আর এই কথা তো জামায়াতকে নিয়ে রাজনৈতিক টাউট এই পাটওয়ারীই বলেছে। পাটওয়ারী শিবির, বাম, এবি পার্টি করেছে। এখন এনসিপি করছে।’

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আশপাশের লোকজনের কাছ থেকেই জানতে পেরেছেন উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, এনসিপির এই নেতা গাঁজা-ইয়াবা সেবন করেন। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘গাঁজা খেয়ে বাইরে গিয়ে আবোলতাবোল বললেই পাবলিকের ডিমের ওপর দিতে যেতে হবে। গালিগালাজ ও বেয়াদবি করা যদি ওর স্বাধীনতা হয়, তবে প্রতিবাদে ডিম মারাও সংক্ষুব্ধদের স্বাধীনতা।’

একিউএফ/