Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

চট্টগ্রামে বসতঘরে মিললো ১২ ফুট লম্বা অজগর

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার এক বসতঘর থেকে ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বার্মিজ প্রজাতির অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চরণদ্বীপ...
Homeক্রেতাশূন্য খুলনার বাজারে কমেছে মুরগির দাম

ক্রেতাশূন্য খুলনার বাজারে কমেছে মুরগির দাম

ঈদের পর হওয়ায় খুলনার বাজারে নেই ক্রেতাদের ভিড়। আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে কাঁচা সবজি ও মাছ। তবে মুরগির দাম কেজিতে ১০-১৫ টাকা কমেছে।

রোববার (৩১ মে) সকালে খুলনার গল্লামারী বাজার, নিউমার্কেট বাজার ও খালিশপুর বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৪০-৫০ টাকা, পটোল ৪০-৫০ টাকা, ধুন্দল ৬০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০-১০০ টাকা, শসা ৬০ টাকা এবং পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়।

ক্রেতাশূন্য খুলনার বাজারে কমেছে মুরগির দাম

অন্যদিকে আলু ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং রসুন ৭০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

গল্লামারী বাজারের সবজি ব্যবসায়ী এনামুল বলেন, কোরবানি ঈদের পর বাজার একেবারে ক্রেতাশূন্য। আজ সময় কাটানোর জন্য দোকান খুলেছি। পাইকারি বাজারেও নেই ভিড়। সবজির বাজারে সবজির চাহিদা না থাকায় দামও রয়েছে আগের মতো। বিক্রি ভালো না হলে একবেলা দোকান চালিয়ে বন্ধ করবো। আবার কাল দোকান খুলবো।

বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৬৫-১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৯০-৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি ব্যবসায়ী জবেদ বলেন, কোরবানির ঈদের কারণে মুরগির চাহিদা কম থাকায় পাইকারি বাজারে দাম অনেক কম। এজন্য খুচরা বাজারেও মুরগির দাম কম। আর আমরা মুরগিও কম উঠিয়েছি। তবে দাম কম থাকলেও মুরগি বিক্রির হার কম।

ক্রেতাশূন্য খুলনার বাজারে কমেছে মুরগির দাম

অন্যদিকে মাছের বাজারে আকারভেদে প্রতি কেজি রুই ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা, কাতল ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং চিংড়ি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ও পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজিতে।

মাছ বিক্রেতা মেহেদি বলেন, চিংড়ি ও তেলাপিয়া মাছ নিয়ে বসেছি। মাছের বাজারে অনেকেই দোকান খোলেনি। ছুটি শেষ না হলে বাজার চাঙ্গা হবে না। অনেকে আবার টুকটাক বেচাকেনা করছে। সন্ধ্যার পরতো কাস্টমার পাওয়া যায় না। এজন্য একবেলা দোকান খুলছি।

গল্লামারি বাজারের ক্রেতা ফরহাদ হোসেন সজিব বলেন, কিছু সবজি ও নিরামিষ রান্নার জন্য চিংড়ি মাছ কিনতে এসেছি। দাম আগের মতো আছে। কিন্তু মাছের বাজার একেবারে মাছশূন্য। মুরগির দামও তুলনামূলক কমেছে বলে তিনি জানান।

অন্য একজন ক্রেতা লিটন মিয়া বলেন, বাজারে সবজি আছে। সবজির দাম কম আছে। কিন্তু টাটকা-তাজা সবজি একেবারে কম। অনেক ব্যবসায়ী নতুন সবজি আনেননি।

আরিফুর রহমান/এফএ/জেআইএম