Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

রাশিয়ার হামলায় একদিনেই ১৩২০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত

ইউক্রেনে চলমান বিশেষ সামরিক অভিযান এলাকায় রুশ বাহিনীর বিভিন্ন গ্রুপের অভিযানে প্রায় ১ হাজার ৩২০ জন ইউক্রেনীয় সেনাসদস্য নিহত বা হতাহত হয়েছে। শনিবার (৩০...
Homeইরানে ‘এমকিউ-১ প্রিডেটর’ ড্রোন ধ্বংস ও ‘রজব ২৭’ স্পিডবোট উন্মোচন

ইরানে ‘এমকিউ-১ প্রিডেটর’ ড্রোন ধ্বংস ও ‘রজব ২৭’ স্পিডবোট উন্মোচন

চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক ‘এমকিউ-১ প্রিডেটর’ ড্রোন ধ্বংস করেছে ইরান। ড্রোনটি ইসলামিক প্রজাতন্ত্রে ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্য নিয়ে দেশটির জলসীমার ওপর দিয়ে ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল। উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করার মাধ্যমে তা ভূপাতিত করা হয়েছে।

এমকিউ-১ প্রিডেটর হলো মার্কিন বাহিনী দ্বারা পরিচালিত একটি দূরনিয়ন্ত্রিত নজরদারি ও হালকা হামলা চালানোর ড্রোন, যা মূলত পুনরুদ্ধার এবং লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ অভিযানে ব্যবহৃত হয়।

এমকিউ-১ প্রিডেটর ড্রোন

এদিকে ইসলামি রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নেভি শনিবার (৩০ মে) গভীর রাতে তেহরানে একটি গণসমাবেশে তাদের নতুন ‘রজব ২৭’ স্পিডবোট উন্মোচন করেছে। তেহরানের এনকেলাব (বিপ্লব) চত্বরে টানা ৯০তম রাতের গণসমাবেশে এই স্পিডবোড উন্মোচন অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সামরিক জলযানটি ইরানি জনগণের সামনে প্রদর্শন করা হয়।

স্পিডবোট উন্মোচন অনুষ্ঠান।

ইরানের ইসলামি রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর বরাত দিয়ে এসব সংবাদ প্রকাশ করেছে মেহের নিউজ এজেন্সি এবং তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

আইআরজিসি-এর জনসংযোগ শাখা জানিয়েছে, আগ্রাসী মার্কিন সামরিক বাহিনীর এমকিউ-১ ড্রোন রোববার ভোররাতে ইরানের আকাশসীমায় প্রবেশের পরপরই শনাক্ত করা হয়। এটি তাৎক্ষণিকভাবে আইআরজিসি-র আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ট্র্যাক বা অনুসরণ করা হয় এবং কোনো পরিকল্পিত বৈরী অভিযান চালানোর আগেই ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।

প্রসঙ্গত, জেনেভা শহরে আলোচনা চলা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথবাহিনী। এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এর প্রতিবাদে ৩৯ দিনে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ১০০ দফা হামলা চালায় ইরান।

এরপর ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠক করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়া ১৩ এপ্রিল হরমুজে নৌ-অবরোধ আরোপ করা হয়।

এরপর আরেক দফা যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ান ট্রাম্প। এরপর গত ২৫ মে দুই দেশের মধ্যে আরও ৬০ দিনের যুদ্ধ বিরতি হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছিল মার্কিন সংবাদ মাধ্যম অ্যাক্সিওস।

ইরানের লিগ্যাল মেডিসিন সংস্থার তথ্যমতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হন এবং ২৬ জন নিহত হন।

কেএম