Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

মৌলভীবাজারে অটোরিকশা-মাইক্রোবাস চালকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক ও মাইক্রোবাসচালকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয় সাংবাদিকসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন।...
Homeঅস্ট্রেলিয়ায় মোটা বেতনের চাকরির প্রলোভনে ৪ মাসে হাতিয়ে নেয় ৬০ লাখ টাকা

অস্ট্রেলিয়ায় মোটা বেতনের চাকরির প্রলোভনে ৪ মাসে হাতিয়ে নেয় ৬০ লাখ টাকা

অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ইমো অ্যাপের মাধ্যমে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ সালামের সঙ্গে যোগাযোগ করে একটি চক্র। এরপর ধাপে ধাপে হাতিয়ে নেয় ৬০ লাখ টাকা। মিথ্যা প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎকারী আন্তর্জাতিক সাইবার ও ভিসা প্রতারক এ চক্রটির অন্যতম মূলহোতাসহ দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়া। গ্রেফতাররা হলেন—খাইরুল ইসলাম (২৪) ও জাবেদুল ইসলাম (৩৮)।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পিবিআই পুলিশ সুপার শচীন চাকমা এ তথ্য জানান। এর আগে গত রোববার (১৭ মে) নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। 

শচীন চাকমা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক প্রতারক চক্র অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ইমো অ্যাপের মাধ্যমে ভুক্তভোগী মোহাম্মদ সালামের সঙ্গে যোগাযোগ করে। অস্ট্রেলিয়ার একটি মোবাইল ফোন নম্বর ব্যবহার করে তারা ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে ভুক্তভোগী ও তার আত্মীয়স্বজনের ব্যবহৃত বিকাশ নম্বর থেকে প্রায় ৬০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে একপর্যায়ে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোহাম্মদ সালাম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে জেলার সরাইল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা সন্দেহভাজন বিকাশ নম্বরগুলো কেওয়াইসি ও লেনদেনের স্টেটমেন্ট পর্যালোচনা করে প্রতারক চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করেন বলেও জানান তিনি।

পরে গত রোববার নীলফামারীর সৈয়দপুর থানা এলাকা থেকে সাইবার ও ভিসা প্রতারকচক্রের মূলহোতা খাইরুল ইসলাম (২৪) এবং বিকাশ ডিএসও জাবেদুল ইসলামকে (৩৮) গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তদন্তের তথ্য জানিয়ে পিবিআই পুলিশ সুপার শচীন চাকমা বলেন, আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক সাইবার ও ভিসা প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে প্রবাসীদের টার্গেট করে প্রতারণা চালায়। গ্রেফতার খাইরুল ইসলামকে মূল পলাতক আসামি প্রাণ ইসলাম বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে ‘আরিফ মন্ডল’ ছদ্মনামে ভুয়া সফলতার ভিডিও তৈরি করায়। ওই ভিডিও ও পোস্ট ফেসবুকে বুস্ট করে অস্ট্রেলিয়ায় কম খরচে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে।

তিনি বলেন, অন্য আসামি জাবেদুল ইসলাম বিকাশ ডিএসও হিসেবে আত্মসাৎকৃত অর্থ ক্যাশ আউট ও অবৈধ লেনদেন গোপনে পরিচালনায় সহায়তা করে। তারা একই কায়দায় বর্ণিত মামলার বাদীর কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করেছে। চক্রটি গত চার মাসে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার অবৈধ লেনদেন করেছে। চক্রের অন্য পলাতক সদস্যদের গ্রেফতার এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ উদ্ধারে পিবিআইয়ের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

কেআর/এমকেআর