Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

আইএমএফের ঋণ পাওয়ার পর জ্বালানির দাম বাড়ালো শ্রীলঙ্কা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানো এবং ব্যয় পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে শ্রীলঙ্কা রোববার জ্বালানির দাম সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে। রাষ্ট্রীয়...
Homeঈশ্বরদীতে দানের মাংসের হাট, কেজি ৫৫০ টাকা

ঈশ্বরদীতে দানের মাংসের হাট, কেজি ৫৫০ টাকা

পবিত্র ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর মাংস ঘিরে পাবনার ঈশ্বরদীতে প্রতিবছরের মতো এবারও বসে ক্ষণস্থায়ী দানের মাংসের হাট। শহরের রেলগেট, ফকিরের বটতলা ও স্টেশন এলাকার বিভিন্ন স্থানে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) বিকেল থেকেই এই হাট জমে উঠে। ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে এই মাংস বিক্রি হয়।

ক্ষণস্থায়ী এ হাটে গিয়ে দেখা যায়, কোরবানির সংগ্রহ করা মাংস বিক্রি করা হচ্ছে। আবার কেউ কেউ একদিনের কসাই হয়ে কাজ করে যে মাংস পেয়েছেন তা বিক্রি করতে এনেছেন। আর যাদের কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য নেই অথবা বাজার থেকে বেশি দামে মাংস কিনে খেতে পারেন না তারাই এ মাংস কিনে নিচ্ছেন।

শহরের রেলগেটে মাংস বিক্রি করতে এসেছেন আনিসুর রহমান। তিনি জানান, সারাদিন কসাইয়ের কাজ করে তিন কেজি মাংস পেয়েছেন। এর মধ্যে দুই কেজি মাংস বিক্রি করবেন। আর এক কেজি বাড়ি নিয়ে যাবেন। দুই কেজি মাংস তিনি ১২০০ টাকা বিক্রি করবেন বলে আশা করছেন।

আতিয়ার রহমান নামে আরেক কসাই বলেন, তিন কেজি মাংস এনেছিলাম, ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। দরদাম করলে হয়তো কেজিতে আরও ৫০ টাকা বেশি বিক্রি করা যেতো।

স্টেশন রোডের ফকিরের বটতলায় দানের মাংস বিক্রি করতে এসেছেন আছিয়া বেগম নামে একজন নারী।

তিনি বলেন, সারাদিনে ৫ কেজির মতো মাংস সংগ্রহ করেছি। এতো মাংস আমি রাখবো কোথায়? খাওয়ার জন্য দুই কেজি রেখে বাকি তিন কেজি বিক্রি করতে এসেছি। ৪৫০-৫৫০ টাকা পর্যন্ত দরদাম হচ্ছে।

মাংস কিনতে এসেছিলেন অটোরিকশা চালক আনিসুর রহমান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, দোকান থেকে মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে কিনতে হয়। এখানে ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি দরে কেনা যায়। তাই দুই কেজি কেনার জন্য এসেছি।

স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর হোসেন বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে শহরের রেলগেট, ফকিরের বটতলা ও রেল স্টেশনের আশেপাশে ঈদের দিন বিকেলে কোরবানির দানের মাংস বেচাকেনা হয়। এখানে মাংসের ক্রেতা-বিক্রেতা দু’পক্ষই দরিদ্র শ্রেণির মানুষ। মাংস বেচাকেনা করে দু’পক্ষই উপকৃত হয়।

স্টেশন রোডের বাসিন্দা আলতাব হোসেন বলেন, কোরবানির ঈদের দিন শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে দুই থেকে তিন ঘণ্টার মতো সময় ক্ষণস্থায়ী দানের মাংস বেচাকেনা হয়। বেশ কিছু মৌসুমি কসাই এখানে মাংস বিক্রি করেন। ভিক্ষুকদের মাংস সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজ বা অন্য কোন ব্যবস্থা না থাকায় তারাও দানের মাংস বিক্রি করে দেন। অন্যদিকে নিম্ন আয়ের মানুষরা এ মাংস কিছুটা কম দামে কিনতে পেরে উপকৃত হন।

শেখ মহসীন/এনএইচআর/জেআইএম