Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

গেমপ্লিফাইয়ের সহযোগিতায় এআই প্রশিক্ষণ নিলো জাগো নিউজের সংবাদকর্মীরা

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে পরিবর্তন হচ্ছে প্রযুক্তির উৎকর্ষতা। প্রতিদিনই নতুন নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে পৃথিবী। পুরনো প্রযুক্তি হচ্ছে আরও আপডেট, আরও নিখুঁত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা...
Homeগণমাধ্যমের অনিয়ম দূর করতে আধুনিক গণমাধ্যম কমিশন গঠনের পরিকল্পনা

গণমাধ্যমের অনিয়ম দূর করতে আধুনিক গণমাধ্যম কমিশন গঠনের পরিকল্পনা

গণমাধ্যম খাতে বিদ্যমান অনিয়ম দূর করতে সরকার একটি আধুনিক গণমাধ্যম কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, এই কমিশন এমন নীতিমালা তৈরি করবে, যেখানে সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করবে না, মালিকপক্ষ সাংবাদিকদের অপব্যবহার করতে পারবে না এবং সাংবাদিকরাও তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করতে পারবেন না।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে ডিআরইউয়ের শফিকুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের আওতায় সংগঠনের প্রয়াত দুই সদস্য নিখিল মানখিন ও শ্যামল কান্তি নাগের পরিবারের হাতে গ্রুপ বিমার চেক হস্তান্তর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আধুনিক গণমাধ্যম এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সমন্বিত এক জগতে পরিণত হয়েছে, যেখানে তথ্য ব্যবস্থাপনাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ব্যক্তিমালিকানাধীন গণমাধ্যমকে সুনির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে সাংবাদিকদের চাকরির নিরাপত্তা, পেনশন, গ্র্যাচুইটি ও নিয়মিত বেতন নিশ্চিত করা যায়।

এসময় মন্ত্রী প্রকৃত সাংবাদিকদের তথ্যভিত্তিক ডাটাবেজ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তার পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিমা সুবিধা গ্রহণের উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।

ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। এ সময় আবু সালেহ আকন সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতা ও আর্থিক নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন
জুলাইয়ের মধ্যে গণমাধ্যম কমিশন গঠনের প্রস্তাব: তথ্যমন্ত্রী 
ঈদুল আজহায় সংবাদপত্রে ছুটি ৫ দিন 

তিনি বলেন, সম্প্রতি টেলিভিশন মালিকদের একটি সংগঠন সাংবাদিকদের চাকরি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ‘এনওসি’ বাধ্যতামূলক করার যে নোটিশ দিয়েছিল, তা সাংবাদিকদের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপ এবং তাদের ‘শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার’ অপচেষ্টা। সাংবাদিক সমাজের প্রতিবাদের মুখে সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ডিআরইউ সভাপতি আরও বলেন, দেশের অনেক সাংবাদিক ১৫ থেকে ২০ বছর কাজ করলেও কোনো সার্ভিস বেনিফিট বা প্রভিডেন্ট ফান্ড পান না। যেসব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এখনো এসব সুবিধা নিশ্চিত করছেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। একই সঙ্গে নতুন কোনো গণমাধ্যমের অনুমোদনের আগে মালিকপক্ষের আর্থিক সক্ষমতা যাচাইয়ের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ন্যূনতম বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের আর্থিক দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরে বলেন, অনেক সময় কোনো সাংবাদিক মারা গেলে তার পরিবারের কাছে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া কিংবা কাফনের কাপড় কেনার টাকাও থাকে না। তিনি সাংবাদিকদের পূর্ণ বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ৬০ বছরের বেশি বয়সী সাংবাদিকদের পরিবারের জন্য বিশেষ সহায়তা তহবিল গঠনেরও দাবি জানান।

ডিআরইউয়ের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল বলেন, ডিআরইউ সবসময় সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করে আসছে। বছরজুড়ে সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে স্বাস্থ্য ক্যাম্পসহ নানান কার্যক্রম পরিচালনা করে। তিনি সাংবাদিকদের জন্য সপ্তাহে দুইদিন ছুটি বাস্তবায়নের দাবি জানান। একই সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকদের ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়নেরও দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসির চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন ও প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মো. কাজিম উদ্দিন।

এনএইচ/কেএসআর