Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img
Homeমন্ত্রীকে ‘প্রিয় নবী’ সম্বোধন, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন বিএনপির সেই নেতা

মন্ত্রীকে ‘প্রিয় নবী’ সম্বোধন, প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন বিএনপির সেই নেতা

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুকে ‘প্রিয় নবী’ বলে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের মুখে পড়েছেন ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক এম এ খালেক।

সোমবার (১ জুন) বিকেলে জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলন ডেকে তিনি এ ঘটনার জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। একে ‘স্লিপ অব টাং’ বা অনিচ্ছাকৃত ভুল দাবি করে তিনি আল্লাহর দরবারে তওবা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।

এর আগে গত ৩০ মে দাগনভূঞায় এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মিন্টুর প্রশংসা করতে গিয়ে অধ্যাপক খালেক বিতর্কিত এ মন্তব্য করেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ ওঠে।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীদের তিনি বলেন, মন্ত্রীকে প্রিয় ব্যক্তি বলতে গিয়ে ভুলক্রমে ‘প্রিয় নবী’ বলে ফেলেছি। এ ঘটনায় সমালোচনার মধ্যে আমি নিজেও বিব্রত। এ ঘটনায় আল্লাহর দরবারে তওবা আর ক্ষমা চাওয়া ছাড়া করার কিছু নেই।

এদিকে ইসলামী স্কলার ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী এ বক্তব্যকে সুস্পষ্ট ‘কুফর’ আখ্যা দিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন, এ মন্তব্যের মাধ্যমে ইসলামের মৌলিক আকিদা ‘খাতমে নুবুওয়্যাত’ অস্বীকার করা হয়েছে এবং ওই নেতা কাফেরে পরিণত হয়েছেন। তাকে অবিলম্বে তওবা করে ইসলামে ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে, এ ঘটনার জেরে বহিষ্কৃত যুবদল নেতা হায়দার আলী রাসেল সাংবাদিকদের ‘ভুয়া’ আখ্যা দিয়ে প্রতিহতের হুমকি দিলে গণমাধ্যমকর্মীদের মাঝেও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। তবে খালেক জানান, এ অতিউৎসাহের দায় দল বা তিনি নেবেন না।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, অধ্যাপক খালেকের বেফাঁস মন্তব্যে বিএনপি বারবার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছে। এর আগে গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর এক অনুষ্ঠানে তিনি বিএনপিকে ‘ফ্যাসিস্ট রাজনৈতিক দল’ এবং ‘এরা গণতন্ত্র ও নির্বাচন বোঝে না’ বলে মন্তব্য করে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় তুলেছিলেন। এছাড়া গত ১৬ এপ্রিল এক বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের দিয়ে বিতর্কিত ‘ভিআইপি প্রটোকল’ নেওয়ার অভিযোগে জেলাজুড়ে সমালোচিত হয়েছিলেন এ বিএনপি নেতা।

আবদুল্লাহ আল-মামুন/কেএইচকে/জেআইএম