Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

যেখানে আজও জীবন্ত অবিসংবাদিত নেতা শেরে বাংলার স্মৃতি

বরিশালের চাখারে এখনও যেন জীবন্ত শেরে বাংলার স্মৃতি। পুরোনো বসতভিটার আঙিনা, ব্যবহৃত আসবাব, দুর্লভ আলোকচিত্র আর ইতিহাসের নীরব সাক্ষ্য বহন করা সংগ্রহশালা দেখতে প্রতিদিনই...
Homeখালেদা জিয়াকে উপহার দেওয়া সেই কালো মানিক বিক্রির অপেক্ষায়, দাম ২২ লাখ

খালেদা জিয়াকে উপহার দেওয়া সেই কালো মানিক বিক্রির অপেক্ষায়, দাম ২২ লাখ

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার উত্তর ঝাটিবুনিয়া গ্রামের খামারি সোহাগ মৃধার বাড়িতে এখন প্রতিদিনই ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ। কারণ সেখানে রয়েছে বিশাল আকৃতির সেই ষাঁড় ‘কালো মানিক’। একসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে উপহার দেওয়া আলোচিত সেই ষাঁড়টি এবার বিক্রি করতে চান সোহাগ মৃধা। ৪৫ মণের এই ষাঁড়টির দাম হাঁকানো হয়েছে ২২ লাখ টাকা।

প্রায় ১২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট উচ্চতার ‘কালো মানিক’কে দেখতে প্রতিদিনই দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ বিস্ময় নিয়ে দেখছেন বিশাল গড়নের এই ষাঁড়টিকে। স্থানীয়দের কাছেও এটি এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

খামারি সোহাগ মৃধা জানান, প্রায় সাত বছর ধরে সন্তানের মতো করেই লালন-পালন করেছেন কালো মানিককে। ২০১৮ সালে স্থানীয় চৈতা বাজার থেকে এক লাখ ৩৭ হাজার টাকায় একটি গাভি কিনেছিলেন তিনি। পরে সেই গাভির জন্ম দেওয়া একটি বাছুরকে যত্নে বড় করতে থাকেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাছুরটি বিশাল আকৃতি ধারণ করলে আদর করে নাম রাখেন ‘কালো মানিক’।

খালেদা জিয়াকে উপহার দেওয়া সেই কালো মানিক বিক্রির অপেক্ষায়, দাম ২২ লাখ

সোহাগ মৃধা বলেন, ‘নিজের সন্তানের মতো করেই বড় করেছি। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে দানাদার খাবার দিয়ে লালন-পালন করছি। প্রতিদিন প্রায় এক হাজার থেকে ১২০০ টাকা খরচ হয়। এবার ২২ লাখ টাকা দাম চেয়েছি, ভালো দাম পেলে বিক্রি করবো।’

তিনি আরও জানান, গত বছরের ৫ জুন কালো মানিককে উপহার হিসেবে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল খালেদা জিয়ার জন্য। পরে বেগম জিয়া ষাঁড়টি গ্রহণ করলেও পরিবারের সচ্ছলতায় কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।

সোহাগের স্ত্রী সুলতানা বেগম বলেন, ‘অনেক কষ্ট আর মায়া দিয়ে গরুটাকে বড় করেছি। এখন যেন উপযুক্ত একটা দাম পাই, সেই আশা করছি।’

খালেদা জিয়াকে উপহার দেওয়া সেই কালো মানিক বিক্রির অপেক্ষায়, দাম ২২ লাখ

প্রতিবেশী জাফর মিয়া বলেন, ‘সোহাগ অনেক কষ্ট করে গরুটি বড় করেছে। আমাদের এলাকায় এত বড় গরু খুব কমই দেখা যায়। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ শুধু কালো মানিককে দেখতে আসছে।

পটুয়াখালী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান জানান, ওই খামারিকে শুরু থেকেই উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ষাঁড়টি বিক্রির ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

মাহমুদ হাসান রায়হান/এফএ/এমএস