বাংলাদেশে তামাক নিয়ন্ত্রণে আইন থাকলেও বাস্তব প্রয়োগ এখনো দুর্বল। বিশেষ করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্পর্শকাতর স্থান শতভাগ ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করা হলেও সেখানে প্রকাশ্যে ধূমপান চলছে। টং দোকানে অবাধে সিগারেট বিক্রি এবং তদারকির অভাব পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক করে তুলেছে।
তামাক কোম্পানিগুলো পরিকল্পিতভাবে তরুণ সমাজকে টার্গেট করছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, চলচ্চিত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধূমপানকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা নতুন প্রজন্মকে আসক্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। একইসঙ্গে ই-সিগারেটের বিস্তার ভয়াবহ হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাদকবিরোধী সংগঠন ‘প্রত্যাশা’র সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদ।
হেলাল আহমেদ বলেছেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন প্রণয়ন করলেই হবে না, এর কঠোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। আদালত এলাকায় নিয়মিত মনিটরিং, অবৈধ তামাকপণ্য বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা কার্যকর এবং জেলা প্রশাসনের টাস্কফোর্স কমিটিকে সক্রিয় করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সিগারেটের দাম বৃদ্ধি, ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
আরও পড়ুন
নারী-পুরুষ সবার জন্যই প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ
ধূমপান কি সত্যিই পুরুষের বন্ধ্যাত্ব ডেকে আনে?
ধূমপান নিরুৎসাহিত করতে সিগারেটের মূল্যস্তর কমানোর দাবি
ধূমপানের কারণে হার্ট হয়ে যায় মোটা ও দুর্বল, বলছে গবেষণা
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ, ই-সিগারেট নিষিদ্ধ, আদালতপাড়া ধূমপানমুক্ত বাস্তবায়ন এবং যুব সমাজকে রক্ষায় করণীয় নিয়ে হেলাল আহমেদের সঙ্গে কথা বলেছে জাগো নিউজ। তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাগো নিউজের নিজস্ব প্রতিবেদক মো. আশিকুজ্জামান আশিক।
জাগো নিউজ: বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসকে সামনে রেখে এবার আপনাদের মূল বার্তা কী?
হেলাল আহমেদ: এবারের বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে আমাদের মূল বার্তা হচ্ছে তামাক ও নতুন প্রজন্মের মধ্যে তৈরি হওয়া ভয়ংকর সংযোগ বন্ধ করা। আমরা দেখছি, প্রচলিত সিগারেটের পাশাপাশি ই-সিগারেট, ভেপিং ডিভাইস ও নানা ধরনের নিকোটিন পণ্য তরুণদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এগুলোকে অনেক সময় ‘কম ক্ষতিকর’ বা ‘আধুনিক’ বলে প্রচার করা হয়, কিন্তু বাস্তবে এগুলো তরুণদের নিকোটিন আসক্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
বাংলাদেশ তামাকবিরোধী জোট ও ‘প্রত্যাশা’ সংগঠন এবার বিশেষভাবে ই-সিগারেট নিষিদ্ধের দাবি তুলেছে। কারণ বিশ্বের বহু দেশ ইতোমধ্যে এটি নিষিদ্ধ করেছে। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ সামাজিক ও স্বাস্থ্যগত সংকট তৈরি হবে।

জাগো নিউজ: ই-সিগারেট নিষিদ্ধের দাবি কেন এত জোরালোভাবে তুলছেন?
হেলাল আহমেদ: ই-সিগারেটকে অনেকেই ফ্যাশন বা স্মার্টনেসের অংশ হিসেবে দেখছে। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণদের টার্গেট করেই এগুলোর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। বিভিন্ন ফ্লেভার, আকর্ষণীয় ডিজাইন এবং সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করা হচ্ছে।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, অনেকেই মনে করে ই-সিগারেট ক্ষতিকর নয়। কিন্তু এতে নিকোটিন থাকে, যা মস্তিষ্কের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে এবং আসক্তি তৈরি করে। ফলে একজন তরুণ ধীরে ধীরে প্রচলিত সিগারেটেও ঝুঁকে পড়ে। তাই আমরা মনে করি, ই-সিগারেটের আমদানি, বিপণন ও ব্যবহার দ্রুত নিষিদ্ধ করা জরুরি।
জাগো নিউজ: তামাক কোম্পানিগুলো কীভাবে যুব সমাজকে টার্গেট করছে বলে মনে করেন?
হেলাল আহমেদ: তামাক কোম্পানিগুলো অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে তরুণদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। তারা সরাসরি বিজ্ঞাপন দিতে না পারলেও বিভিন্ন পরোক্ষ কৌশল ব্যবহার করছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, মিউজিক ভিডিও ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ধূমপানকে স্টাইল বা আধুনিকতার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে।
অনেক জনপ্রিয় অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সারকে ব্যবহার করে তরুণদের মনে ধূমপানের প্রতি ইতিবাচক ধারণা তৈরি করা হচ্ছে। এমনকি বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতেও নানা কৌশলে সিগারেট প্রদর্শন করে মানুষকে আকৃষ্ট করা হয়। এসব কার্যক্রম তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের চেতনাবিরোধী।
প্রকাশ্য স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ হলেও ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে তা মানা হচ্ছে না, ছবি: জাগো নিউজ
জাগো নিউজ: আদালতপাড়াকে ধূমপানমুক্ত ঘোষণা করা হলেও বাস্তব পরিস্থিতি কেমন?
হেলাল আহমেদ: কাগজে-কলমে আদালতপাড়াকে শতভাগ ধূমপানমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে গেলে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। আদালতের ভেতর ও আশপাশে এখনো প্রকাশ্যে ধূমপান হচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, অনেক দায়িত্বশীল ব্যক্তিকেও সেখানে ধূমপান করতে দেখা যায়।
যখন আইন প্রয়োগকারী ও আইন সংশ্লিষ্ট মানুষরাই আইন মানেন না, তখন সাধারণ মানুষের মধ্যেও আইন অমান্যের প্রবণতা তৈরি হয়। ফলে আদালত প্রাঙ্গণ ধূমপানমুক্ত করার উদ্যোগ বাস্তবে কাঙ্ক্ষিত ফল পাচ্ছে না।
জাগো নিউজ: আদালত এলাকায় ধূমপান বৃদ্ধির পেছনে প্রধান কারণ কী?
হেলাল আহমেদ: আদালতপাড়াজুড়ে গড়ে ওঠা ছোট ছোট পানের দোকান ও টং দোকান অন্যতম বড় কারণ। এসব দোকানে নিয়মবহির্ভূতভাবে সিগারেট বিক্রি হচ্ছে। হাতের নাগালে সহজে সিগারেট পাওয়া গেলে মানুষ ধূমপানে উৎসাহিত হয়।
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে বিভিন্ন বিধিনিষেধ থাকলেও বাস্তবে তা কঠোরভাবে প্রয়োগ হচ্ছে না। ফলে পুরো পরিবেশটাই ধূমপানের অনুকূলে চলে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন
সিগারেটের দাম বাড়ায় ৩৭ শতাংশ তরুণ ধূমপায়ী ধূমপান কমিয়েছেন
ধূমপানের প্রবণতা কমেছে গণপরিবহনে: গবেষণা
‘ধূমপানমুক্ত বাংলাদেশ চাই’ আন্দোলনের এসআই শফিক পুরস্কৃত
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকজাত দ্রব্যে কর বাড়ানোর প্রস্তাব
জাগো নিউজ: আদালত এলাকায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে কী ধরনের দুর্বলতা রয়েছে?
হেলাল আহমেদ: মূল দুর্বলতা হলো মনিটরিং ও তদারকির অভাব। আইন আছে, নির্দেশনা আছে, কিন্তু বাস্তবে তা অনুসরণ করানোর দৃশ্যমান উদ্যোগ খুব কম। ধূমপানমুক্ত এলাকার সাইনবোর্ড টানানো থাকলেও তা মানতে কাউকে বাধ্য করা হচ্ছে না।
নিয়মিত অভিযান, জরিমানা, ভ্রাম্যমাণ আদালত কিংবা সচেতনতামূলক কার্যক্রম না থাকায় মানুষ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। আইনের কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে হলে মাঠপর্যায়ে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।
জাগো নিউজ: আদালত এলাকায় প্রকাশ্যে ধূমপানের কারণে কী ধরনের সামাজিক প্রভাব পড়ছে?
হেলাল আহমেদ: আদালত এমন একটি জায়গা যেখানে প্রতিদিন বিচারপ্রার্থী, নারী, শিশু ও বিভিন্ন বয়সী মানুষ আসেন। সেখানে প্রকাশ্যে ধূমপান হলে স্বাস্থ্যঝুঁকি তো তৈরি হয়ই, পাশাপাশি আইনের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধাবোধও কমে যায়।
যদি আদালত প্রাঙ্গণ নিজেই আইন মানতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সাধারণ মানুষও আইন মানার বিষয়ে অনীহা দেখাবে। এটি সামাজিকভাবে খুবই নেতিবাচক বার্তা দেয়।
এক হকার আরেক হকারের কাছ থেকে সিগারেট কিনে সেখানেই ধূমপান করছেন। ঢাকা সিএমএম কোর্টের চতুর্থ তলার লিংক ব্রিজে। ছবি: জাগো নিউজ।
জাগো নিউজ: তামাকপণ্য নিয়ন্ত্রণে টাস্কফোর্স কমিটির বর্তমান কার্যক্রম নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?
হেলাল আহমেদ: ঢাকা জেলা প্রশাসনের অধীনে একটি টাস্কফোর্স কমিটি রয়েছে। সেখানে আইনজীবী, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা আছেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি তিন মাস পরপর সভা হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে এসব সভা অনেক সময় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
খুব অল্প সময়ের আলোচনা করে সভা শেষ হয়ে যায়। এতে কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত বা বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা সম্ভব হয় না। ফলে মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনও আসে না।
জাগো নিউজ: এই টাস্কফোর্স কমিটিকে কার্যকর করতে কী করা প্রয়োজন?
হেলাল আহমেদ: প্রথমত, নিয়মিত সভা নিশ্চিত করতে হবে এবং সভাগুলোকে ফলপ্রসূ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আদালত এলাকায় কোথায় কোথায় তামাকপণ্য বিক্রি হচ্ছে এবং কারা নিয়ম ভঙ্গ করছে, এসব চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
শুধু কাগুজে সভা নয়, মাঠপর্যায়ে অভিযান, নজরদারি এবং সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। টাস্কফোর্সকে সক্রিয় ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রত্যাশার উদ্যোগে রাজধানীতে তামাকবিরোধী রিকশা র্যালি, ছবি: সংগৃহীত
জাগো নিউজ: সম্প্রতি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে জরিমানা বৃদ্ধিকে কীভাবে দেখছেন?
হেলাল আহমেদ: জনসমাগমস্থলে ধূমপানের জন্য জরিমানা বাড়ানো একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। বর্তমানে জরিমানার পরিমাণ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে। এটি আইন বাস্তবায়নে সহায়ক হতে পারে।
তবে শুধু জরিমানা বাড়ালেই হবে না। জরিমানা বাস্তবে আদায় হচ্ছে কি না, আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না। এসব নিশ্চিত করতে হবে। আইন কার্যকর না হলে কঠোর শাস্তির বিধানও অর্থহীন হয়ে পড়ে।
জাগো নিউজ: তামাকপণ্যের দাম বৃদ্ধি কতটা কার্যকর হতে পারে?
হেলাল আহমেদ: তামাক ব্যবহার কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়ের একটি হলো দাম বৃদ্ধি। সিগারেটের দাম যত সহজলভ্য থাকবে, তরুণদের মধ্যে এর ব্যবহার তত বাড়বে। আমরা চাই সর্বনিম্ন সিগারেটের দাম এমন পর্যায়ে নেওয়া হোক, যাতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা সহজে কিনতে না পারে।
এছাড়া গুল, জর্দা, খৈনি ও সাদাপাতার মতো ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের ওপরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ জরুরি। কারণ এগুলোও ক্যানসারসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
প্রত্যাশার উদ্যোগে রাজধানীতে তামাকবিরোধী রিকশা র্যালি, ছবি: সংগৃহীত
জাগো নিউজ: তামাক কোম্পানির সঙ্গে সরকারের সম্পৃক্ততা নিয়ে আপনার মত কী?
হেলাল আহমেদ: তামাক কোম্পানিতে সরকারের সামান্য শেয়ার থাকার সুযোগে অনেক সময় কোম্পানিগুলো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। আমরা মনে করি, জনস্বাস্থ্যের প্রশ্নে কোনো ধরনের স্বার্থের সংঘাত থাকা উচিত নয়।
তামাক কোম্পানির লবিং বন্ধ করতে হবে এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, তামাক কোম্পানির মুনাফা নিশ্চিত করা নয়।
আরও পড়ুন
ধূমপানের পর নামাজ আদায় করলে কি তা কবুল হবে?
সিগারেট খেলে নারীর শরীরের যে অংশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়
তামাকে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি ৮৭ হাজার কোটি টাকা
সিগারেট খাওয়া কি হারাম?
জাগো নিউজ: ধূমপানমুক্ত সমাজ গঠনে সচেতনতার ভূমিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
হেলাল আহমেদ: সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, মানুষকে বোঝাতে হবে কেন ধূমপানমুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং গণমাধ্যমকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
বিশেষ করে তরুণদের বোঝাতে হবে, ধূমপান বা ভেপিং কোনো আধুনিকতা নয়; এটি একটি ক্ষতিকর আসক্তি। যারা সমাজে প্রভাবশালী অবস্থানে আছেন, তাদের আগে উদাহরণ তৈরি করতে হবে।
পাবলিক প্লেস ধূমপানমুক্ত করার দাবিতে রাজধানীতে প্রত্যাশার মানববন্ধন, ছবি: সংগৃহীত
জাগো নিউজ: সাধারণ মানুষের প্রতি আপনার বার্তা কী?
হেলাল আহমেদ: আমাদের সবাইকে বুঝতে হবে, ধূমপান শুধু একজন ব্যক্তির ক্ষতি করে না; এর ধোঁয়া আশপাশের মানুষেরও ক্ষতি করে। তাই স্কুল, কলেজ, আদালত, হাসপাতাল, খেলার মাঠ, বাসস্ট্যান্ড ও বাজারসহ সব পাবলিক প্লেস ধূমপানমুক্ত রাখতে হবে।
আইনের পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্র পর্যন্ত সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করলে একটি সুস্থ, নিরাপদ ও ধূমপানমুক্ত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব।
এমডিএএ/এমএমএআর

