Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

বাবা সকালে হাঁটাহাঁটি শেষে রবীন্দ্রনাথের ‘শাজাহান’ কবিতা আবৃত্তি করতেন

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমার বাবা দাপটে রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং মুসলিম লীগ করতেন; তিনিও প্রতিদিন সকালে...
Homeবাবা সকালে হাঁটাহাঁটি শেষে রবীন্দ্রনাথের ‘শাজাহান’ কবিতা আবৃত্তি করতেন

বাবা সকালে হাঁটাহাঁটি শেষে রবীন্দ্রনাথের ‘শাজাহান’ কবিতা আবৃত্তি করতেন

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমার বাবা দাপটে রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং মুসলিম লীগ করতেন; তিনিও প্রতিদিন সকালে হাঁটাহাঁটি শেষে রবীন্দ্রনাথের ‘শাজাহান’ কবিতা আবৃত্তি করতেন।

শুক্রবার (৮ মে) দুপুরে নওগাঁর আত্রাইয়ের পতিসর রবীন্দ্র কাছারি বাড়িতে বিশ্বকবির ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পতিসরে এসে কৃষকদের দুঃখ-দুর্দশা অনুভব করে তাদের কল্যাণে কৃষি ব্যাংক স্থাপন করেছিলেন। কৃষিকে আধুনিকায়ন করতে তিনি নতুন পদ্ধতির সূচনা করেন, যা ছিল তার মূল ধারার সাহিত্যকর্মের বাইরে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। আমি সাহিত্যের তাত্ত্বিক বা পণ্ডিত নই, তবে রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের সাহিত্যকে গভীরভাবে ভালোবাসি। আমার বিশ্বাস, যে মানুষ সাহিত্য চর্চা করে এবং কবিতা বা গানের সঙ্গে থাকে, সে নিঃসন্দেহে ভালো মানুষ হয়।

মন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দেশ ও অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। ব্যাংক ও প্রশাসন লুটপাট করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে লড়াই করেই বর্তমান অবস্থায় আসা। মানুষ নতুন সরকারের প্রতি আশা নিয়ে আছে। আমরা কেউ চাই না দেশে আর কোনো গোলযোগ হোক। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে দেশে যে পরিবর্তন এসেছে, তাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে ছোটোখাটো ইস্যু নিয়ে অনেকে গোলযোগ সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, আমরা সারাজীবন রাজনীতি করে কাটিয়ে দিয়েছি, কিন্তু আমাদের রাজনীতি এখনো সুন্দর বা পরিচ্ছন্ন নয়। এ দেশে মানুষ বারবার পরিবর্তনের জন্য লড়াই করেছে, প্রাণ দিয়েছে, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কাঙ্ক্ষিত সেই পরিবর্তন এখনো আসেনি।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের সমাজে একটি হতাশাবাদী গোষ্ঠী সব সময় অস্থিরতা তৈরি করতে চায়। আমি নির্দিষ্ট কোনো দল বা ব্যক্তির কথা বলছি না, তবে আমাদের মনে রাখতে হবে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধই আমাদের মূল ভিত্তি। আমাদের স্বতন্ত্র পরিচয় যে আমরা ‘বাংলাদেশি’, এটিই সবার আগে স্মরণ রাখতে হবে। আমরা এমনি এমনি স্বাধীনতা পাইনি, ৯ মাস যুদ্ধ করে তা অর্জন করেছি। একইভাবে গণতন্ত্রও আমরা লড়াই করেই ফিরে পেয়েছি, এটি আমাদের কাছে এমনি এমনি আসেনি।

অনুষ্ঠানে রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ড. আ ন ম বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, জাতীয় সংসদের হুইপ ও সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নওগাঁ-৬ (আত্রাই ও রানীনগর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম রেজু, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা, নওগাঁ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইকরামুল বারি টিপু, নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধলু, বাংলাদেশ দূতাবাস মেক্সিকোর সাবেক রাষ্ট্রদূত এম. মুশফিকুল ফজল আনসারী প্রমুখ।

আরমান হোসেন রুমন/কেএইচকে/জেআইএম