Become a member

Get the best offers and updates relating to Liberty Case News.

― Advertisement ―

spot_img

কোহলির ব্যাটে আবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু

মঞ্চ প্রস্তুত ছিল। শুধু সেখানে বিজয়ী হিসেবে কারা উঠবে, সেটাই ছিল দেখার। অবশেষে গত বছরেরই পূনরাবৃত্তি হলো। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের বিজয়মঞ্চে উঠলো রয়েল...
Homeব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক খামারে চারদিনে তিনশ’ হাঁসের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক খামারে চারদিনে তিনশ’ হাঁসের মৃত্যু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় গত চারদিনে প্রবাসফেরত জাহাঙ্গীর মোল্লার খামারের প্রায় তিনশ’ হাঁস মারা গেছে। তিন দিন আগেও এ খামারে এক হাজার ৫৫টি হাঁস ছিল, যা এখন ৮শ’ তে এসে ঠেকেছে।

জানা গেছে, উপজেলার গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশনের কাছে জাহাঙ্গীর মোল্লার হাঁসের খামার। মাস চারেক আগে তিনি গড়ে তুলেন এ খামারটি।

জাহাঙ্গীর মোল্লার অভিযোগ, বারবার বলেও প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কাউকে আনাতে পারেননি তিনি।

তবে স্থানীয় সাংবাদিকরা যোগাযোগের পর সংশ্লিষ্টরা ছুটে আসেন। এ বিষয়ে তারা পরামর্শ দিয়ে যান। এ সময় জানানো হয়, কীটনাশক থাকা জমিতে নেমে খাওয়া কিংবা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে এমন হয়ে থাকতে পারে।

ক্ষতিগ্রস্ত খামারি মো. জাহাঙ্গীর মোল্লা বলেন, প্রবাস থেকে এসে কৃষি করতাম। আগে থেকেই চিন্তাভাবনা থাকায় মাস চারেক আগে হাঁসের খামার গড়ে তুলি। মোট এক হাজার ৫৫টি হাঁস হয় খামারে। ১৫-২০ দিন পরই কিছু হাঁস ডিম পারা শুরু করতো। এরই মধ্যে ঈদের দিন থেকে একে একে হাঁস মরতে শুরু করে।

তিনি বলেন, একাধিকবার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়েও কোনো সহযোগিতা পাইনি। স্থানীয় ফার্মেসিতে জিজ্ঞেস করে হাঁসের টিকা দেওয়াসহ অন্যান্য সেবা দেই। কয়েকদিন ধরে হাঁস মরতে শুরু করে। প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে যোগাযোগ করলে বলা হয় ঈদের ছুটির কারণে কিছু করা সম্ভব না। পরে শনিবার এসে তারা কিছু ওষুধ লিখে দিয়ে যায়।

জাহাঙ্গীরের বৃদ্ধ বাবা মো. হারিছ মোল্লা বলেন, প্রায় আড়াইশ’ হাঁস মারা গেছে। অন্তত ৫০টি’র মতো হাঁস জবাই করে পরিচিতদেরকে দিয়ে দিয়েছি। আরও হাঁস অসুস্থ হয়ে আছে। এ অবস্থায় আমার ছেলে খাওয়া-দাওয়াও করছে না। খামার নিয়ে সে বেশ চিন্তিত।

আখাউড়ার উপ-সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আশিকুজ্জামান বলেন, ভাইরাস সংক্রমণসহ বিভিন্ন কারণে হাঁস মরে থাকতে পারে। পাশে যে জমিতে নেমে হাঁস খাবার খায় সেটাতে কীটনাশক থাকলে সেটাও একটা কারণ হতে পারে। এছাড়া হাঁস রাখার যে ঘরটি সেটি ছোট হওয়ার কারণেও এমন হতে পারে। ওই খামারিকে আমরা কিছু পরামর্শ দিয়েছি। এছাড়া চিকিৎসা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ওষুধ লিখে দেওয়া হয়েছে।

আবুল হাসনাত মো. রাফি/এনএইচআর/এমএস